ফিলিস্তিনি মুক্তিকামী সংগঠন হামাসের হামলার পর গাজা ভূখণ্ডে সর্বাত্মক অবরোধ দিয়েছে ইসরায়েল। বোমা হামলা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি সেখানে সব ধরনের সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে তারা। ফলে গাজার ২২ লাখ মানুষের জন্য খাদ্য, জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও পানি দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। খবর বিবিসির।
গাজার অভিজাত রিমাল এলাকার বাসিন্দা ওয়াদ আল-মাঘরাবি বলেন, ‘আপনি চিন্তা করতে পারেন একুশ শতকে আমরা বিদ্যুৎ ও পানি ছাড়া বসবাস করছি? আমার শিশু সন্তানের ন্যাপি শেষ হয়ে গেছে। ওর জন্য মাত্র আধা বোতল দুধ আছে।’ তিনি প্রশ্ন করেন, ‘আমার শিশু সন্তান কি ইসরায়েলে আক্রমণ করেছিল?’।
এদিকে ইসরায়েলের মুহুর্মুহু হামলায় পুরো গাজা এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। উপত্যকাটির হৃদস্পন্দন নামে পরিচিত রিমাল এলাকাও প্রায় নিশ্চিহ্ন। গত কয়েকদিনে ইসরায়েলি বিমান হামলায় রিমালের অ্যাপার্টমেন্ট টাওয়ারের দেয়াল, ফুটপাথের সারিবদ্ধ গাছ, গাজার প্রধান টেলিযোগাযোগ কার্যালয়, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের অফিস, বিশ্ববিদ্যালয় ভবন ও মসজিদ সবকিছু ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
আল আকসা মসজিদে হামলা ও ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ করে বসতি নির্মাণ অব্যাহত রাখার জবাবে গত শনিবার (৭ অক্টোবর) ইসরায়েলে আকস্মিক হামলা শুরু করে হামাস। পাল্টা হামলা শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনীও; যার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে রক্তক্ষয়ী সংঘাতের। এরপর থেকে উভয় পক্ষে হতাহতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে।