খুলনার কয়রায় পরিষদ কক্ষের দরজা বন্ধ করে সংরক্ষিত ওয়ার্ডের এক নারী ইউপি সদস্যকে লাঞ্ছনার অভিযোগ উঠেছে উপজেলার আমাদি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েলের বিরুদ্ধে। লাঞ্ছনার শিকার ওই ইউপি সদস্য গত রবিবার সন্ধ্যায় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কয়রা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন।
সাধারণ ডায়েরির ভাষ্যমতে, গত শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় ওই নারী ইউপি সদস্য ইউনিয়ন পরিষদে যাওয়ার পর চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল তাকে তার কক্ষে ডাকেন। ইউপি চেয়ারম্যান প্রথমে কক্ষের দরজা বন্ধ করেন। সে সময় সেখানে পরিষদের আরও কয়েকজন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। তাদের উপস্থিতিতেই কোনো কারণ ছাড়াই তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন চেয়ারম্যান। একপর্যায়ে তাকে মারতে উদ্যত হলে উপস্থিত কয়েকজন তাকে নিবৃত্ত করেন। এ সময় চেয়ারম্যান তাকে প্রাণনাশের হুমকিও দেন।
ইউপি চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আসলে কিছুই হয়নি। মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে জিডি করেছেন।’ নারী ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে তিনিও মামলা করবেন বলে জানান।
কয়রা থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, ‘ইউপি সদস্য থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন। এখন তদন্ত হবে। পরে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’