হাজার গ্রেপ্তারের দাবি বিএনপির
সরকার পতনের এক দফার দাবি আদায়ে আগামীকাল শনিবার অনুষ্ঠিতব্য মহাসমাবেশকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দিনরাতে সার্বক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। দলটির দাবি, গত তিন দিনে সারা দেশে তাদের অন্তত এক হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, রাজধানীতে গত পাঁচ দিনে বিভিন্ন মামলার পরোয়ানাভুক্ত ৩১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বিস্তারিত পড়ুন এখানে
আ.লীগের ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে প্রস্তুতি
বিএনপির শনিবারের মহাসমাবেশ সামনে রেখে গতকাল বৃহস্পতিবার থেকেই ঢাকার রাজপথে কর্মসূচি পালন করছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে মিছিল-সমাবেশ করেন দলীয় নেতাকর্মীরা। এ ছাড়া ঢাকা জেলার পাঁচ উপজেলার ইউনিয়ন এবং তিনটি পৌরসভার ওয়ার্ডেও মিছিল-সমাবেশে করা হয়। আজ শুক্রবারও একই কর্মসূচি পালন করে রাজপথে থাকবে আওয়ামী লীগ। এদিকে গতকাল রাজধানীর বনানী সেতু ভবনে কর্ণফুলী টানেলের উদ্বোধন উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি হামলা করলে পাল্টা হামলার ঘোষণা দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
বিস্তারিত পড়ুন এখানে
রাস্তায় টহল বাসা হোটেলে তল্লাশি
২৮ অক্টোবর সমাবেশ করার জন্য অনুমতি চেয়ে বিএনপি তাদের নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে এবং আওয়ামী লীগ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট এলাকার জন্য ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাছে চিঠি দিয়েছে। ওই চিঠির জবাবে ডিএমপির পক্ষ থেকে দুই দলকে রাস্তায় সমাবেশ না করে উন্মুক্ত জায়গায় বা খোলা মাঠে বিকল্প ভেন্যু করার জন্য চিঠি দেয়। কিন্তু বিএনপি ও আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, যেহেতু তাদের কাক্সিক্ষত জায়গায় সমাবেশের আয়োজনের সব প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে, তাই অন্য কোনো ভেন্যুতে যাওয়া সম্ভব হবে না। এ কারণে পুলিশ এখনো তাদের কাউকে সুনির্দিষ্ট করে সমাবেশের অনুমতি দেয়নি।
বিস্তারিত পড়ুন এখানে
শক্তি দেখাতে তৈরি ছাত্রলীগ ছাত্রদলও
আগামীকাল শনিবার (২৮ অক্টোবর) রাজধানীর নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে মহাসমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। সেদিন রাজপথে থাকবে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগও। বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেটে শান্তি সমাবেশে করবে তারা। বিএনপির চেয়েও বড় জমায়েত করতে চায় ক্ষমতাসীনরা। আর ওইদিনই মতিঝিল শাপলা চত্বরে সমাবেশ করতে চেয়েছে বিএনপির রাজনৈতিক সুহৃদ ও সাবেক জোটসঙ্গী জামায়াত। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে। এ সময়ে কেউ কাউকে ছাড় দিতে রাজি নয়। রাজনীতির মাঠে সবচেয়ে বড় দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। ২৮ অক্টোবর স্মরণকালের সর্বোচ্চ জমায়েত করতে চায় তারা, সেরকম প্রস্তুতি নিয়েছে বড় দুটি দল। অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিশাল জমায়েতের প্রস্তুতিও নিচ্ছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। ওইদিন মূল লড়াইয়ে দেখা যাবে তাদের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে এবং জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলকে। রাজপথ দখলে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে এ দুই ছাত্র সংগঠন। ছাত্ররা এখন যুদ্ধংদেহী।
বিস্তারিত পড়ুন এখানে
জিততে চাই জিততে হবে
নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আবার ক্ষমতায় আসার লক্ষ্যে মাঠে থাকা আওয়ামী লীগ এবং সরকারের পদত্যাগ ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনে থাকা বিএনপির ২৮ অক্টোবরের লক্ষ্য একই। দুই দলই চায় জিততে। অর্থাৎ মহাসমাবেশের মধ্য দিয়ে সরকারের ভিত নড়বড়ে করে দিতে চায় বিএনপি, যাতে পরবর্তী সময়ে আন্দোলন আরও জোরদার করে সরকার হটিয়ে দিতে পারে। আর আওয়ামী লীগ চায় বিএনপিকে মোকাবিলা করে বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচন করা। দুই দলের জন্যই ভবিষ্যৎ নির্ধারণের দিন আগামীকাল ২৮ অক্টোবর।
বিস্তারিত পড়ুন এখানে