ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে হাফিজুর রহমান (৬০) নামের এক বৃদ্ধকে ছুরি মেরে হত্যা করেছে মেয়ের জামাই। অন্যদিকে ময়মনসিংহের নান্দাইলে গৃহবধূ তাসলিমা আক্তারকে (৩৫) পিটিয়ে হত্যা করেছে শ^শুর বাড়ির লোকজন। গতকাল শনিবার সকালের দিকে পৃথক ঘটনা দুটি ঘটে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিহত হাফিজুর রহমান বিজয়নগর উপজেলার চম্পকনগর ইউনিয়নের নূরপুর গ্রামের গুলু মিয়ার ছেলে। অভিযুক্ত মেয়ের জামাতা শামীম মিয়া ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন। পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানায়, গত ৮ অক্টোবর নাহিদা তার স্বামী শামীম মিয়াকে তালাক দিয়ে বাবার বাড়ি চলে আসে। কিছুদিন পর নাহিদা পরিবারের লোকজনদের কিছু না জানিয়ে আবার স্বামীর সংসারে ফিরে যায়। কিন্তু ফের কলহ শুরু হলে গত শুক্রবার নাহিদা আবার বাবার বাড়ি চলে আসে। নাহিদাকে ফিরিয়ে নিতে শামীমের বাবাসহ পরিবারের সদস্যরা তাদের বাড়ি আসে। কিন্তু শামীমের সংসারে নাহিদা ফিরে যাবে বলে জানিয়ে দেয়। এরই জেরে ভোরে শামীম শ্বশুরবাড়ি এসে এলোপাতাড়ি ছুরি মেরে শ্বশুর হাফিজুর রহমানকে হত্যা করে পালিয়ে যায়।
এদিকে ময়মনসিংহের নান্দাইলে নিহত তাসলিমা আক্তার মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নের কৃষ্ণচন্দ্রপুর গ্রামের আমিনুল ইসলামের স্ত্রী।
নিহতের বড় ভাই দ্বীন ইসলাম জানান, এখানে এসে জানাতে পারি গত তিন দিন আমার বোনের সঙ্গে তার স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়ির ঝগড়া চলছিল। শনিবার সকালে তারা সবাই মিলে নির্যাতন করে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে চালানোর জন্য মুখে ইঁদুরের বিষ ঢেলে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এরপর আমাদের খবর দেওয়া হয়েছে।