পশ্চিম তীরে সহিংসতা বন্ধ করে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ ভূখণ্ড গাজাতে 'মানবিক বিরতির' আহ্বান জানিয়েছে শিল্পোন্নত সাতটি দেশের জোট জি সেভেনের সদস্য দেশগুলো।
জাপানের টোকিওতে জি-সেভেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকটি শুরু হয় মঙ্গলবার। বুধবার বৈঠক শেষে জি সেভেনের শীর্ষ কূটনীতিকরা এক বিবৃতিতে ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধের বিষয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ অবস্থান ঘোষণা করেন। খবর আল জাজিরা।
বিবৃতিতে সদস্য দেশগুলো হামাসের নিন্দা জানানোর পাশাপাশি ইসরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকারকে সমর্থন জানায়। এ ছাড়া গাজা উপত্যকায় বেসামরিক নাগরিকদের কাছে দ্রুত সাহায্য পৌঁছানোর জন্য "মানবিক বিরতি" দেওয়ার আহ্বান জানায় সদস্য দেশগুলো।
বিবৃতিতে দেশগুলো গাজাতে খাদ্য, পানি, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং নিরাপদ আশ্রয়ের পাশাপাশি অবরুদ্ধ অঞ্চলটির বেসামরিক নাগরিকদের সাহায্য করার জন্য "জরুরি পদক্ষেপ" গ্রহণের আহ্বান জানায়।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেনসহ যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, জাপান এবং ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা "জরুরি প্রয়োজনীয় সহায়তা সরবরাহ এবং জিম্মিদের মুক্তির সুবিধার্থে মানবিক বিরতি সমর্থন জানান।
তবে জি সেভেন দেশগুলোর বিবৃতিতে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সংঘটিত সহিংসতা বৃদ্ধি এবং হত্যাযজ্ঞে অগ্রহণযোগ্য বলা হয়। যা পশ্চিম তীরের নিরাপত্তাকে দুর্বল করে তুলেছে এবং একটি স্থায়ী শান্তির সম্ভাবনাকে হুমকির মুখে ফেলেছে বলে জানায় দেশগুলো।
গত মাসে ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যকার সংঘাত শুরু হওয়ার পর এই জোটভুক্ত দেশগুলোর পক্ষ থেকে এই বিবৃতি দেওয়া হল।