প্রোটিয়াদের ২৪৫ রানের লক্ষ্য দিল আফগানিস্তান

আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের ব্যাটে চড়ে দুশো পেরোনো পুঁজি পেয়েছে আফগানিস্তান। বিশ্বকাপ লিগপর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে আফগানদের সংগ্রহ ৯ উইকেটে ২৪৪ রান। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে এদিন টস জিতে প্রথমেই ব্যাট করে আফগানিস্তান। সেমিফাইনালে খেলতে হলে দক্ষিণ আফ্রিকাকে অন্তত ৪৩৮ রানের ব্যবধানে হারানোর প্রয়োজন ছিল তাদের। সেটি আর সম্ভব হচ্ছে না।

আফগানদের এই পুঁজি গড়ার কান্ডারী ক্যারিয়ার সেরা নৈপুণ্য দেখানো আজমতউল্লাহ ওমরজাই। শেষ ওভারে নাভিন রানআউট না হলে হয়তো সেঞ্চুরি পেয়ে যেতেন তিনি। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ৯৭ রানে। ৭টি চার ও ৩টি ছক্কায় ১০৭ বলে দারুণ এই ইনিংসটি খেলেন আজমত। চতুর্থ উইকেটে রহমত শাহকে নিয়ে ৪৯ রানের জুটি গড়েন আজমত। ৭ম ও ৮ম উইকেটে রশিদ খান ও নুর আহমাদের সঙ্গে ৪৪ রানের দুটি জুটি গড়েন। রহমত ২৬, নুর ২৬, গুরবাজ ২৫ রান করেন।

এদিন ব্যাটিংয়ে নেমে ভালো শুরু করে আফগানিস্তান। ৪১ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়ে তারা। তবে বোলিংয়ে এসেই আফগান ব্যাটিংয়ের ত্রাস বনে যান কেশব মহারাজ। নিজের প্রথম বলেই ফেরান রহমানউল্লাহ গুরবাজকে। পরের ওভারে জেরাল্ড কোটজে তুলে নেন গত ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান ইব্রাহিম জাদরানের উইকেট। আর নিজের দ্বিতীয় ওভারে এসে কেশব আফগান সাজঘরের পথ দেখান অধিনায়ক হাসমতউল্লাহ শাহিদিকে। মাত্র চার রানের মধ্যে তিন উইকেট খুঁইয়ে ফেলে আফগানিস্তান। তবে একপাশ আগলে রেখে আজমতউল্লাহ তুলে নেন বিশ্বকাপের তৃতীয় ফিফটি।

গুরবাজ ২২ বলে ২৫, জাদরান ৩০ বলে ১৫ ও শাহিদি ৭ বলে ২ রান করেন। ধাক্কা আসে প্রোটিয়া শিবিরেও। নিজের তৃতীয় ওভারে বোলিং করার সময় গোড়ালির অ্যাকিলিস টেন্ডনে সমস্যাজনিত চোটে পড়েন লুঙ্গি এনগিদি। মাঠ ছেড়ে চলে যেতে হয় তাকে। পরে অবশ্য এসে বোলিং করেন তিনি।

প্রোটিয়াদের হয়ে জেরাল্ড কোটজে ৪টি উইকেট শিকার করেন। কেশব ও এনগিদি দুইটি করে আর এ ম্যাচেই একাদশে সুযোগ পাওয়া আন্দিল ফেলুকওয়ায়ো নেন একটি উইকেট।