টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর এবং সামনে আইপিএল-পিএসএল থাকায় নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে প্রতিষ্ঠিত খেলোয়াড়দের রাখতে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা। দল সাজিয়েছিল তরুণদের নিয়ে। তাদের পরীক্ষা নিরীক্ষার দলটিই কিউইদের বিপক্ষে সিরিজটা জিতল। ৫ ম্যাচের এই সিরিজ ৩-২ ব্যবধানে জিতেছে প্রোটিয়ারা।
কনর এস্টারহুইজেনের ক্যারিয়ারসেরা বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বুধবার সিরিজের পঞ্চম ম্যাচে ৩৩ রানের জয় পেয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। শেষ ম্যাচে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করতে নামে দক্ষিণ আফ্রিকা। ১১তম ওভারে দলীয় ৭৬ রানে যখন এস্টারহুইজেন ক্রিজে আসেন, তখন দক্ষিণ আফ্রিকার রান তোলার গতি কিছুটা মন্থর ছিল। তবে ৩৩ বলে ৭৫ রানের এক টর্নেডো ইনিংস খেলে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন তিনি। তার এই ইনিংসে ছিল ৫টি চার ও ৬টি ছক্কা।
এটি ছিল এস্টারহুইজেনের টানা দ্বিতীয় হাফ-সেঞ্চুরি। চতুর্থ ম্যাচেও তিনি ৫৭ রানের একটি কার্যকরী ইনিংস খেলেছিলেন। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন ডিয়ান ফরেস্টার; চতুর্থ উইকেটে তারা মাত্র ৪ ওভারে ৬১ রান যোগ করেন। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৮৭ রান তোলে দক্ষিণ আফ্রিকা।
১৮৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপের মুখে ছিল নিউজিল্যান্ড। প্রোটিয়া বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে স্বাগতিকরা। ১০ ওভার শেষে কিউইদের সংগ্রহ ছিল ৩ উইকেটে ৬৫ রান, যখন জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল প্রতি ওভারে ১২.৩ রান। শেষ দিকে বেভন জ্যাকবস ১৯ বলে ৩৬ রান করে চেষ্টা করলেও তা যথেষ্ট ছিল না। নিউজিল্যান্ড শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫৪ রান তুলতে সক্ষম হয়।
দক্ষিণ আফ্রিকার বোলাররা ফিল্ডারদের দারুণ সহায়তা পেয়েছেন। জেরাল্ড কোয়েটজি ২১ রানে ২টি, অটনিল বার্টম্যান ৩৩ রানে ২ উইকেট পান। আর প্রেনেলান সুব্রায়েন ৪ ওভারে মাত্র ২২ রান দিয়ে নিউজিল্যান্ডের রানের গতি টেনে ধরেন।
এই সিরিজটি ছিল বেশ নাটকীয়। প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা ৭ উইকেটে জিতলেও, পরের দুই ম্যাচে নিউজিল্যান্ড দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে সিরিজ ২-১ এ এগিয়ে যায়। তবে চতুর্থ ম্যাচে ১৯ রানে জিতে সমতায় ফেরে দক্ষিণ আফ্রিকা। গতকালের ৩৩ রানের জয়ে সিরিজ নিশ্চিত করে তরুণদের নিয়ে গড়া দলটি।
বাংলাদেশ-ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা এবং অন্য দলগুলোর ম্যাচ কবে, কখন