অধিনায়কত্ব নিয়ে রাজার সঙ্গে কথা হয়েছে বাবরের, তবে...

বিশ্বকাপের শেষ ম্যাচ খেলতে আজ ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হয়েছে পাকিস্তান। সেই ম্যাচ শুরু আগে রমিজ রাজার সঙ্গে দেখা হয়েছিল পাক অধিনায়ক বাবর আজমের। সেখানে ছোটখাটো অনাষ্ঠানিক একটা সভাও হয়ে গেছে। সেখানে বাবরের অধিনায়কত্ব নিয়েও দুজনের কথা হয়েছে। কিন্তু সেটা নিয়ে কথা বলতে রাজি হননি রমিজ।

সুনো নিউজের সঙ্গে আলাপকালে পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক ও পিসিবির সাবেক চেয়ারম্যান রমিজ এই কথা বলেছেন।

রাজা বলেছেন, ‘এটা কোনো আনুষ্ঠানিক সভা ছিল না। আমি নেটে আইসিসির জন্য একটি শো করছিলাম। তখন হঠাৎ দেখা বাবরের সঙ্গে। পূর্ব পরিকল্পনা ছিল না। পূর্ব পরিকল্পিত ছিল না জানিয়ে রাজা বলেন, ‘পাকিস্তান বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হওয়ায় বাবরকে হতাশ মনে হচ্ছিল। পাকিস্তানি খেলোয়াড়রা দেশে মিডিয়ার কাছ থেকে যে সমালোচনা পাচ্ছে তাতে তারা ব্যথিত।’

তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানি খেলোয়াড়রা দেশে ফিরে প্রতিক্রিয়া অনুভব করেছে। পিসিবি এবং সাংবাদিকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও বেশিরভাগই নেতিবাচক ভূমিকা পালন করে। সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে এটি মোকাবেলা করা কঠিন। আসলে এজেন্ডা নিয়ে কিছু সাংবাদিক খেলোয়াড়দের আক্রমণাত্মক মন্তব্য করে যা পাকিস্তান ক্রিকেটের অনেক ক্ষতি করছে। আমরা উপজাতীয় মানসিকতা নিয়ে বাস করছি।’

সংবাদ সম্মেলনে বাবরকে যে প্রশ্নগুলি জিজ্ঞাসা করা হয়েছে তা নিয়ে মনক্ষুন্ন না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে বলেছেন, ‘বাবর একজন পরিপক্ক অধিনায়ক, সে তার রাগ খুব ভালোভাবে সামলাতে পারে। পাকিস্তান ক্রিকেট দল হারের বৃত্তে বন্দী এবং মানুষ যে মন্তব্য করছে তা অসহনীয়। আমি যদি বাবরের জায়গায় থাকতাম, তাহলে সংবাদ সম্মেলনে কঠোর জবাব দিতাম। আমি মনে করি সমালোচক হিসেবে আমাদের নিজেদের দিকেও তাকানো উচিত।’

তিনি বলেন, ‘পাকিস্তান ক্রিকেটের ভারত বা অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালি ব্যাক-আপ নেই, এই দুই দেশের দারুণ ব্যাক-আপ প্রতিভা রয়েছে। আমরা বর্তমান খেলোয়াড়দের সাবধানে ব্যবহার করতে বাধ্য। বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। পাকিস্তান ক্রিকেটকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য সময় দরকার। তার সঙ্গে কথা বলার পর আমার খুব খারাপ লাগছিল।’

অধিনায়কত্ব নিয়ে বাবর আজম তার কোনো মতামত দিয়েছেন কি না জানতে চাওয়া হলে রাজা বলেন, ‘বাবর আমার সঙ্গে অনেক বিষয় নিয়েই কথা বলেছেন। কিন্তু এটি আমাদের ব্যক্তিগত কথোপকথন ছিল। সুতরাং এসব বিষয় নিয়ে আমি জনসমক্ষে কোনো কথা বলতে চাই না।’