হামাসের সুড়ঙ্গের খোঁজে ইসরায়েলের হার্মেস ড্রোন

গাজা সিটি ঘিরে ফেলে স্থলাভিযান জোরদার করেছে ইসরায়েলী সেনাবাহিনী। এখন ইসরায়েলের আতঙ্ক হয়ে ওঠা হামাসের সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ক ধ্বংসে মনোযোগ দিচ্ছে তারা। গাজা জুড়ে চলছে সুড়ঙ্গের অনুসন্ধান। ইসরায়েলী বাহিনীর ধারণা এসব সুড়ঙ্গে লুকিয়ে থেকে হামলা চালাচ্ছে হামাস যোদ্ধারা। এমনকি সুবিস্তৃত এসব সুড়ঙ্গে রয়েছে হামাসের অপারেশন রুম, গোলাবারুদের ভাণ্ডার। তাই হামাসকে গুঁড়িয়ে দিতে সুড়ঙ্গ ধ্বংসে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে ইসরায়েলী বাহিনী। হামাসের সুড়ঙ্গ সন্ধানে এবার হার্মেস ৪৫০ ড্রোনকে কাজে লাগাচ্ছে তারা।   

সুড়ঙ্গের ভেতরে লুকিয়ে থাকা হামাস বাহিনীকে খুঁজে বের করছে অন্যতম শক্তিশালী অস্ত্র এই হার্মেস ড্রোন। সাধারণত এটি একটি নজরদারি ড্রোন। ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্স (আইডিএফ) জানায়, হামাস বাহিনী কোন সুড়ঙ্গ থেকে হামলা চালাচ্ছে সেটি চিহ্নিত করে ড্রোনটি সেনার কাছে বার্তা পাঠাচ্ছে। এরপর সেই সুড়ঙ্গে হামলা চালানো হচ্ছে।

আইডিএফ এর তথ্যমতে, এই ড্রোনের আকার মাঝারি। এটি ‘মাল্টি পেলোড’ মানববিহীন যান। বড় সামরিক অভিযানের জন্য এই ড্রোন বানানো হয়েছে। ২০ ঘণ্টা উড়তে পারে হার্মেস। এ ড্রোনে রয়েছে ইলেক্ট্রোঅপটিক্যাল, ইনফ্রারেড সেন্সর। হার্মেস ১৭-২০ ঘণ্টা উড়তে পারে এক বারে। ১৮ হাজার ফুট উচ্চতা পর্যন্ত উপরে উঠতে পারে।

এ ছাড়াও কমিউনিকেশন এবং ইলেকট্রনিক ইন্টেলিজেন্স, সিন্থেটিক অ্যাপার্চার রাডার, গ্রাউন্ড মুভিং টার্গেট ইন্ডিকেশন, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার এবং হাইপারস্পেক্ট্রাল সেন্সর রয়েছে এই ড্রোনে। যার মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠের কয়েক মিটার নীচে লুকিয়ে থাকা কোনও ব্যক্তি বা বস্তুকে খুঁজে বের করতে পারে এই ড্রোন। ১৯৯৮ সালে থেকে এই ড্রোনের ব্যবহার করছে ইসরায়েল।