দখলদার ইসরায়েলি হামলায় গাজা উপত্যকায় ১১ হাজারের বেশি লোক মারা গেছে, যার মধ্যে বেশির ভাগই নারী ও শিশু। এ যুদ্ধে নিহতদের অনেকের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। সেই মরদেহগুলো কী করা হয় তা নিয়ে অনেকের কৌতূহল রয়েছে। সম্প্রতি কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা তা নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
তাতে বলা হয়, দখলদার ইসরায়েলি হামলা শুরু হওয়ার পর অনেককে অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে দাফন করা হয়েছে। সাধারণত প্রচণ্ড হামলায় চেহারার মারাত্মক বিকৃতি কিংবা পরিবারের সব সদস্য নিহত হওয়ায় এমনটি ঘটছে। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার এমন ১৫ জনকে উত্তর গাজার গণকবরে দাফন করা হয়েছে।
গাজা উপত্যকার মর্গের এক দায়িত্বশীল ব্যক্তি আলজাজিরাকে জানিয়েছেন, অনেক মরদেহে কোনো চিহ্ন না থাকায় এর পরিচয় জানা যায় না। সাধারণত নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত তা সংরক্ষণ করা হয়। পরে মরদেহের বিশেষ কোনো চিহ্ন বা কাপড়ের অংশ রেখে তা দাফন করা হয়। তবে এখন বেশির ভাগ মরদেহের ক্ষেত্রে এমনটি ঘটছে। ফলে মরদেহের মধ্যে সুস্পষ্ট কোনো চিহ্ন থাকলে এর ছবি তুলে রাখা হয় যেন ভবিষ্যতে তার পরিচয় মেলে।
আর সুস্পষ্ট কোনো চিহ্ন না থাকলে মরদেহে বিশেষ প্রতীক লাগানো হয় এবং তা সংরক্ষণাগারে রাখা হয়।
গাজার সরকারি মিডিয়া অফিসের প্রধান সালামা মারুফ বলেন, ‘ইসরায়েলি হত্যাযজ্ঞে নিহত অনেকের মরদেহের পরিচয় জানা যায়নি। আমরা তাদের গণকবরে দাফন করেছি। এই পৃথিবীতে তাদের পরিচয় জানা যায়নি। তবে জান্নাতে তারা সবার কাছে পরিচিত থাকবেন।
গত ৭ অক্টোবর থেকে গাজা উপত্যকায় বর্বর হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে ইসরায়েল। ফিলিস্তিনের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে আজ সৌদি আরবের রিয়াদে অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশনের (ওআইসি) তত্ত্বাবধানে ইসলামি শীর্ষ সম্মেলন হওয়ার কথা রয়েছে।