ভারতের কাশ্মীরের শ্রীনগরে হাউজবোটে আগুন লেগে নিহত তিন বাংলাদেশির মৃতদেহ বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়েছে। ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষার জন্য আজ বুধবার সন্ধ্যায় মরদেহটি ৩টি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়।
এর আগে বুধবার (১৫ নভেম্বর) বিকেলে ভারতের দিল্লি থেকে মৃতদেহ একটি কার্গো বিমানে করে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়।
এ বিষয়ে কথা হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গণপূর্ত বিভাগের ইঞ্জিনিয়ার আবু হোসেন সরকার বলেন, গত শনিবার ১১ নভেম্বর কাশ্মীরে হাউজবোটে আগুন লেগে তিন বাংলাদেশি মারা গিয়েছিলেন। এরমধ্যে দুজন প্রকৌশলী ছিলেন।
নিহতরা হলেন- গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী অনিন্দ্য কৌশল ও উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ইমন দাশগুপ্ত। আরেকজন হলেন তাদের বন্ধু ব্যবসায়ী মো. মঈনুদ্দিন।
তিনি আরও জানান, জানতে পেরেছি তাদের তিনজনের বাড়িই চট্টগ্রামে। ভারতে তাদের তিনজনের মরদেহের ময়নাতদন্ত হয়েছে। তবে আগামীকাল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আবারও তাদের ময়নাতদন্ত এবং ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হবে।
রাজধানীর বিমানবন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, ভারত থেকে দেশে আসা নিহত ৩ জনের মধ্যে ২ জন হিন্দু ধর্মের আর ১ জন মুসলিম। পুড়ে অঙ্গার হয়ে যাওয়ায় তাদের আলাদা ভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। সেজন্য সিআইডির সহযোগীতায় কোর্টের পার্মিশনে তাদের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের মাধ্যমে চিহ্নিত করে আলাদা করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এজন্য আপাতত মরদেহ ভর্তি কফিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে রাখা হয়েছে।
গত শনিবার ভোরে ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের শ্রীনগরে বিখ্যাত পর্যটন কেন্দ্র ডাল লেকে কয়েকটি হাউজবোটে আগুন লেগে তিন বাংলাদেশি পর্যটকের মৃত্যু হয়।