ফেনীতে বাম গণতান্ত্রিক জোটের মিছিলে ছাত্রলীগের হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় ১০ জন আহত হয়েছেন।
বুধবার (১৫ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার প্রতিবাদে আগামীকাল বৃহস্পতিবার আধাবেলা হরতালের সমর্থনে আয়োজিত মিছিলে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
এতে ফেনী জেলা বাসদ সমন্বয়ক জসিম উদ্দিন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট ফেনীর আহ্বায়ক নয়ন পাশা, মার্কসবাদী নেত্রী রাইহান এ কমুসহ আরও ৬-৭ জন আহত হয়েছে।
সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট ফেনীর সাধারণ সম্পাদক মোবারক হোসেন জামসেদ বলেন, আমরা মিছিল নিয়ে ট্রাংক রোড প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাব হয়ে বড় মসজিদ এলাকায় পৌঁছালে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অতর্কিত হামলা শুরু করে। আমাদের হাতে থাকা মশাল কেড়ে নিয়ে তারা সেগুলো দিয়ে আঘাত করেছে।
নারী মুক্তি কেন্দ্রের ফেনী জেলার সদস্য আহত রায়হান এ কুমু বলেন, ছাত্রলীগের ছেলেরা আমাদের মেয়েদের ওপর হামলা করে। আমাদের এক নেতাকে ধরে বেধড়ক পিটিয়েছে। পুলিশের সামনে এমন ঘটনা ঘটলেও আমারা বার বার পুলিশের সহযোগিতা চেয়ে পাইনি।
বাম জোট ফেনী জেলা সমন্বয়ক জসিম উদ্দিন বলেন, আমরা ভেবেছিলাম তফসিল ঘোষণার পর পুলিশ অন্তত নিরপেক্ষ থাকবে। কিন্তু আজও পুলিশের সামনে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা আমাদের ওপর এভাবে অতর্কিত হামলা করেছে।
এ ব্যাপারে ফেনী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তোফায়েল আহমেদ তপু বলেন, এ ঘটনার সাথে ছাত্রলীগের কেউ জড়িত নয়। এটা তাদের অভ্যন্তরীণ কোন ঘটনা। ছাত্রলীগ একটা বড় সংগঠন, তাদের আট দশ জনের এই মারামারির সাথে ছাত্রলীগ কোনোভাবেই জড়িত নয়।
ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) থোয়াই অংপ্রু মারমা বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিরাপত্তা দিয়ে তাদের উদ্ধার করেছে। পুলিশের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে এটি সত্য নয়।