দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অতীত সাফল্য নিয়ে ভাবতে নারাজ কামিন্স

বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল বাধা এখন পর্যন্ত পেরুতে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেই দুইবার হেরেছে প্রোটিয়ারা। আরেকটি শেষ চারের ম্যাচে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে দল দুটি। তবে গুরুত্বপূর্ণ এই লড়াইয়ের আগে অতীত নিয়ে একেবারেই ভাবতে নারাজ অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক প্যাট কামিন্স।

কলকাতার ইডেন গার্ডেনসে আজ বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হবে অস্ট্রেলিয়া। বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত সাত বারের দেখায় দুই দলের পাল্লা সমান। দুই দলই জিতেছে তিনটি করে। একটি ম্যাচ হয়েছে টাই। ১৯৯৯ বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে সেই আলোচিত টাইয়ের সুবিধা অবশ্য ভোগ করে ফাইনালে গিয়েছে অজিরাই।

১৯৯৯ বিশ্বকাপের পর ২০০৭ বিশ্বকাপের সেমিতেও অস্ট্রেলিয়ার কাছে হতাশ হয়ে বিদায় নিতে হয় দক্ষিণ আফ্রিকাকে। অথচ ২০১৯ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের জয়ের পর এবারও লিগ পর্বে অস্ট্রেলিয়াকে গুঁড়িয়ে দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

তবে সেমিফাইনালে যে তাদের বিপক্ষে সফল অজিরাই। আরেকটি শেষ চারের লড়াইয়ের আগে তাই সামনে আসছে অতীত ইতিহাস। কামিন্স সেসবে একদম সায় দিতে চান না, ‘আমার মনে হয় না খুব বেশি এসব গোনায় (ইতিহাস) ধরা যাবে। প্রতিটা ম্যাচই নড়বড়ে অবস্থা থেকে শুরু করতে হয়। তাদের দলের বিপক্ষে আমরা অনেক খেলেছি, অনেক ভালো জানি। বিশ্বকাপের আগে তারা আমাদের বিপক্ষে সিরিজ জিতেছে, সেটিও ছিলো ভিন্ন মঞ্চ।’

পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া নকআউট পর্বে সবচেয়ে সফল। বাঁচা-মরার লড়াইয়ে তাদের স্নায়ু ভিন্ন পর্যায়ের। এটা অবশ্য বিনয় সরিয়ে মেনে নিলেন কামিন্স, ‘আমরা ওয়ানডে বিশ্বকাপ, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও বিভিন্ন ধরনের টুর্নামেন্ট জিতেছি। কাজেই এটা আমাদের সাহায্য করবে।’

এরপরেই কামিন্স মনে করিয়ে দেন, বারবার হয়নি বলে দক্ষিণ আফ্রিকার কোনোদিন হবে না, এমনও না, ‘আমরা ভাগ্যবান যে এরকম পরিস্থিতিতে কয়েকবার উতরে গেছি। এসব আপনি মাথায় নিতে পারেন কিন্তু ইতিহাস কিছু নিয়ন্ত্রণ করেও না। তাদের জন্য হয়তো বিশ্বকাপ কঠিন ছিল, যা চেয়েছিল পায়নি। কিন্তু তারা সেটা অর্জন করার মতন দল।’

এবারের আসরে ভারতের পর সেমিফাইনালের টিকেট নিশ্চিত করা দল দক্ষিণ আফ্রিকা। লিগ পর্বে ৭টি ম্যাচ জিতেছে তারা।