জাপানে কাঁদলে পানি মুছে দেবে ‘সুদর্শন যুবক’, পাওয়া যায় ভাড়ায়

মনের ভাব প্রকাশ করাই মনকে সুস্থ রাখার একমাত্র চাবিকাঠি। এই মন্ত্রকে সামনে রেখে সাধারণ মানুষকে প্রাণ ভরে কাঁদতে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। এমনকী ভাড়ায় মিলছে ‘সুদর্শন যুবক’। যারা কাঁদতে সাহায্য করার পাশাপাশি চোখের পানিও মুছিয়ে দেবে।

ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির এক খবরে বলা হয়,  টোকিওর কর্মক্ষেত্রে চাপ কমানোর জন্য একটি অপ্রচলিত পদ্ধতি চালু করতে যাচ্ছে। সাত হাজার ৯শ’ ইয়েন খরচ করে এই সেবাগুলো পেতে পারবেন যে কেউ। টোকিওর ইকেমেসো দানশি নামে সংস্থা এই পরিষেবা দিচ্ছে। তাদের রয়েছে প্রশিক্ষিত ‘হ্যান্ডসাম উইপিং বয়েজ’, অর্থাৎ সুপুরুষ কাঁদুনে যুবকের দল। এই সেবার আওতায় একজন পাবেন কান্নার সময় একজন সুদর্শন যুবককে- যিনি পাশে বসে খুব যত্ন করে চোখের পানি মুছে দেবেন।

গোটা বিষয়টি জাপানি উদ্যোগপতি হিরোকি তেরাইয়ের মস্তিষ্কপ্রসূত। মেয়েরা কাঁদলে ঝকঝকে চেহারার সুপুরুষ পৌঁছে যাবে তাদের কাছে। সুদর্শন পুরুষেরা সান্ত্বনা দেবেন, যত্ন করে চোখের পানি মোছাবেন, আবার নিজেও খানিক ক্ষণ কাঁদবেন। জাপানি পরিভাষায় এই পদ্ধতির নাম ‘রুই-কাৎসু’। কাঁদতে চাইলে অনলাইনে বুক করতে হবে নিজের নাম ও কাঁদার সময় জানিয়ে। সেই ঠিকানায় পৌঁছে যাবেন সুদর্শন যুবক।

হিরোকি তেরাই বিবিসিকে বলেন, আমি চাই জাপানিরা শুধু বাড়িতে নয়, কর্মক্ষেত্রেও চোখের পানি ফেলুক। আপনি যখন কর্মক্ষেত্রে কাঁদেন, তখন একটি অত্যন্ত নেতিবাচক ধারণা জন্ম নেয়, আপনার সহকর্মীরা আপনার কাছে যেতে দ্বিধা করতে পারেন। কর্মক্ষেত্রে দুর্বলতা ভালোভাবে গ্রহণ করা মানসিক সুস্থতা ঠিক রাখতে পারে। সূত্র: এনডিটিভি