ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে চিকিৎসা, রিটের পরামর্শ হাইকোর্টের

যশোরের এক যুবদল নেতাকে ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে চিকিৎসা দেওয়ার বিষয়টি হাইকোর্টের নজরে আনা হয়েছে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন গতকাল বুধবার বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর হাইকোর্ট বেঞ্চে উপস্থাপন করেন বিএনপিপন্থি কয়েকজন আইনজীবী। আদালত এ সময় মন্তব্য করে, ‘কেবল জঘন্য অপরাধের ক্ষেত্রে ডান্ডাবেড়ি পরানো হয়।’ আদালত আইনজীবীদের এ বিষয়ে রিট আবেদন করতে পরামর্শ দেয়।

গণমাধ্যমে ছবিসহ প্রতিবেদনে বলা হয়, যশোর জেলা যুবদলের সহসভাপতি ও সদর উপজেলার দেয়াড়া ইউনিয়নের আমদাবাদ কলেজের প্রভাষক আমিনুর রহমান। সম্প্রতি তাকে বিশেষ ক্ষমতা আইনে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। হৃদরোগে আক্রান্ত আমিনুরকে যশোর থেকে ঢাকার জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। তাকে হাসপাতালে ডান্ডাবেড়ি ও হাতকড়া পরিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এমনকি খাওয়ার সময়ও তার হাতকড়া খোলা হয়নি। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ডান্ডাবেড়ি পরা অবস্থায় আমিনুরের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এ বিষয়ে গণমাধ্যমে আসা প্রতিবেদন গতকাল আদালতের নজরে এনে স্বতঃপ্রণোদিত নির্দেশনা চান সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ জে মোহাম্মদ আলী। এ সময় তার সঙ্গে আরও ছিলেন সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সম্পাদক ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল ও ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।

শুনানিকালে হাইকোর্ট বলে, ‘শুধু জঘন্য অপরাধীদের ডান্ডাবেড়ি পরানো হয়। কোন কোন ক্ষেত্রে ডান্ডাবেড়ি পরানো যাবে এ বিষয়ে (ডান্ডাবেড়ি পরানো) উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তও রয়েছে।’ অ্যাডভোকেট এ জে মোহাম্মদ আলী এ সময় স্বতঃপ্রণোদিত আদেশ চাইলে হাইকোর্ট তাদের রিট আবেদন করতে পরামর্শ দেয়। ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমরা স্বতঃপ্রণোদিত আদেশ চেয়েছিলাম। আদালত বলেছে, এ বিষয়ে (ডান্ডাবেড়ি) আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের গাইডলাইন রয়েছে। আদালত রিট আবেদন করতে বলেছে।’