দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনে জাতীয় পার্টির (লাঙ্গল) দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন নেতারা। ত্যাগীদের বাদ দিয়ে কেন্দ্রে বেশি ফান্ড দেওয়ায় জাতীয় পার্টির প্রার্থী তছলিম উদ্দিনকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শনিবার ডোমার উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম বাবু সাংবাদিকদের জানান, সাবেক জেলা সভাপতি এনকে আলম চৌধুরী তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী হয়েছেন। স্থানীয় নেতারা দলের প্রার্থী বাদ দিয়ে এখন তার জন্যই কাজ করবেন।
আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী তছলিম উদ্দিনকে আমাদের কোনো নেতাকর্মীর পছন্দ হয় নাই। তিনি হঠাৎ জাতীয় পার্টির মনোনয়ন পেয়েছেন। ত্যাগীদের বাদ দিয়ে তাকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া
হয়েছে। তাই ডোমার উপজেলার নেতাকর্মীরা তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন।’
আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘তছলিম উদ্দিন ডিমলায় থাকেন। তিনি কখনো ডোমারের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি, এমনকি নির্বাচনের আগে মতবিনিময় সভাও করেননি। তাকে কীভাবে দল মনোনয়ন দিল সেটাই ভাবছি।’
জাতীয় পার্টির নীলফামারী জেলার সাবেক আহ্বায়ক সাবেক সংসদ সদস্য ও তৃণমূল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মনোনীত প্রার্থী এনকে আলম চৌধুরী অভিযোগ তুলে বলেন, এরশাদ সাহেবের জাতীয় পার্টিকে বর্তমান নেতারা নিঃশেষ করে দিচ্ছেন। তারা এরশাদ সাহেবের স্ত্রী রওশন এরশাদ ও তাদের ছেলেকেও মনোনয়ন দেননি। আমাকেও বঞ্চিত করেছেন। তাই বাধ্য হয়ে জাতীয় পার্টি ছেড়ে তৃণমূল বিএনপিতে যোগ দিয়ে নীলফামারী-১ আসনে প্রার্থী হয়েছি। এখানকার জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা আমার সঙ্গে তৃণমূল বিএনপির পক্ষে কাজ করছেন।’ নীলফামারী-১ আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী সাবেক সেনা কর্মকর্তা তছলিম উদ্দিন নীলফামারী জেলা জাতীয় পার্টির সহসভাপতি ও ডিমলা উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি। তিনি বলেন, ‘ডোমার উপজেলা জাতীয় পার্টির হাতে গোনা কয়েকজন তৃণমূল বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে মাঠে নেমে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছেন। আমি ডিমলা উপজেলার সন্তান। এখানেই আমার জন্ম। ডিমলা ও ডোমার উপজেলার ২০টি ইউনিয়ন ও ডোমার পৌর জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা জাতীয় পার্টির পক্ষেই কাজ করছেন। ইনশা আল্লাহ জয় লাঙ্গলের হবে।’