নারীকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টাকারী আসামি রাসেল পাহাড়কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভেদেরগঞ্জ বাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান শরীয়তপুর জেলা পুলিশ সুপার মো. মাহবুবুল আলম।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, শরীয়তপুর পৌরসভার কাগদি এলাকার ইদ্রিস পাহাড়ের ছেলে রাসেল পাহাড় দীর্ঘদিন ধরে ভুক্তভোগী নারীকে উত্যক্ত ও কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। সেই কুপ্রস্তাবে রাজি না হলে গৃহবধূর উপর ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে রাসেল। পরে গত ২৫ নভেম্বর রাতে তিনি ঘর থেকে বের হলে আগে থেকেই ওত পেতে থাকা রাসেল ও তার আরেক সহযোগী নারীর মুখ চেপে ধরে পাঁশের একটি বাঁশ বাগানে নিয়ে হাত-পা বেঁধে কাপড়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। একপর্যায়ে আগুন থেকে বাঁচতে পাশের একটি পুকুরে ঝাঁপ দেয় ভুক্তভোগী। এ সময় তার ডাক চিৎকারে স্থানীয় ও স্বজনরা এগিয়ে এসে তাকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। আগুনে তার শরীরের নয় থেকে দশ ভাগ পুড়ে যায়। এ ঘটনার পরের দিন ভুক্তভোগীর ছোট বোন সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করলে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করে। পরে গোপন সংবাদ ও তথ্যপ্রযুক্তি সহায়তায় ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত রাসেল পাহাড়কে গতকাল সোমবার বিকেলে ভেদরগঞ্জ বাজার থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
উল্লেখ্য, ভুক্তভোগী ওই নারীকে দীর্ঘদিন ধরে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল শরীয়তপুর পৌরসভার কাগদি এলাকার বাসিন্দা রাসেল পাহাড়। এতে সাড়া না দিলে প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে গত ২৫ নভেম্বর রাতে ধরে নিয়ে হাত-পা বেঁধে তাঁর শরীরে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায় রাসেল। এতে ওই গৃহবধূর শরীরের নয় থেকে দশ ভাগ পুড়ে যায়। এ ঘটনায় ২৬ নভেম্বর ওই নারীর ছোট বোন বাদি হয়ে রাসেলসহ তিনজনকে আসামী করে সদরের পালং মডেল থানায় একটি মামলা করেন।