নীলফামারীর ডিমলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকা তার তিন শিশুসন্তানকে নিয়ে সহকর্মী সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গত বুধবার (৬ ডিসেম্বর) রাতে ডিমলা থানায় অভিযোগ করেছেন ওই শিক্ষিকার স্বামী মহির উদ্দিন।
ঘটনার দুইদিন হলেও শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ওই শিক্ষক, শিক্ষিকাসহ তার সন্তানদের কোনো হদিস মেলেনি। তাদের সন্ধানে পুলিশের অভিযান চালাচ্ছে।
অভিযুক্ত শিক্ষক সহিদুল ইসলাম ডিমলা উপজেলার গয়াবাড়ি ইউনিয়নের পশ্চিম খড়িবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। স্ত্রীসহ তার তিন সন্তান রয়েছে। ওই শিক্ষিকা একই গ্রামের বাসিন্দা। তারা দুজনই খড়িবাড়ি এলাকার শহিদ স্মৃতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।
জানা গেছে, মঙ্গলবার(৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ওই শিক্ষিকা তার স্বামীর বাড়ি ছেড়ে তিন শিশুসন্তানসহ ওই শিক্ষকের সঙ্গে বের হয়ে যান। পরে বিষয়টি নিয়ে তার স্বামী বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
ওই শিক্ষিকার স্বামী মহির উদ্দিন মোবাইল ফোনে বলেন, ওই শিক্ষকের স্ত্রী-সন্তান থাকার পরও আমার তিন সন্তানসহ স্ত্রীকে ফুঁসলিয়ে তিনি নিয়ে গেছেন। সুস্থ অবস্থায় আমার স্ত্রী-সন্তানদের আমি ফেরত চাই।
শহিদ স্মৃতি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ময়েন উদ্দিন দেশ রূপান্তরকে বলেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। বর্তমানে ওই দুই শিক্ষক বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত আছেন। এ বিষয়ে জানতে ওই শিক্ষক ও শিক্ষিকাকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলে মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সাজ্জাদুজ্জামান জানান, ওই দুই সহকারী শিক্ষকের বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কমিটির সভায় আলোচনা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ডিমলা থানার ওসি দেবাশীষ রায় বলেন, এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ হয়েছে। ওই শিক্ষিকাসহ তার সন্তানদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।