ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) বলছে, তফসিল ঘোষণার আগের ও পরের পরিস্থিতি বিবেচনায় অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন বলতে যা বোঝায় তা এবারও হবে না, যা চরম হতাশাজনক। উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিতে দেশে আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার অপরিহার্য বলে মনে করছে সংস্থাটি।
আজ বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা বলে টিআইবি।
বিবৃতিতে জানানো হয়, টিআইবির সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবার ভিত্তিতে দুর্নীতি বিরোধী সামাজিক আন্দোলনে সম্পৃক্ত বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ৪৫ জন সদস্য সংস্থার বার্ষিক সভায় অংশগ্রহণ করেন। সভায় সদস্যরা দুর্নীতির প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ, দুর্নীতি দমন কমিশনের ক্ষমতা হ্রাস, হয়রানি, হামলা ও মামলার মাধ্যমে গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধসহ স্বাধীন মত ও চিন্তা প্রকাশের চর্চাকে বাধাগ্রস্ত করার প্রচেষ্টার প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামানের সঞ্চালনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন টিআইবির সাধারণ পর্ষদে সদস্যদের নির্বাচিত প্রতিনিধি প্রকৌশলী প্রফেসর ড. এ কে এম ফজলুল হক।
সভা শেষে এক ঘোষণাপত্রে বলা হয়, আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও জনসাধারণের কাছে বিশ্বাসযোগ্য হবে এমন প্রত্যাশা ছিল। তবে তফসিল ঘোষণার আগে ও পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন বলতে যা বোঝায় তা এবারও হবে না, যা চরম হতাশাজনক। জনগণের ভোটের অবাধ অধিকার প্রতিষ্ঠা ও সমান প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র নিশ্চিত করে উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিতে দেশে আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার অপরিহার্য হয়ে পড়েছে বলে মত দেন সদস্যরা।
বিশেষ করে নির্বাচনকালীন সরকার, প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নিরপেক্ষ ও স্বার্থের দ্বন্দ্বমুক্ত ভূমিকা নিশ্চিতে জাতীয় ঐকমত্যভিত্তিক আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের আহ্বান জানান সদস্যরা।