এবি পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক প্রফেসর ডা. মেজর (অব.) আব্দুল ওহাব মিনার বলেছেন, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের নৃশংসভাবে হত্যা করেও মহান মুক্তিযুদ্ধের বিজয় ঠেকানো যায়নি। বর্তমান স্বৈরাচারী সরকার গুম, খুন ও শ্বেত সন্ত্রাসের মাধ্যমে পাতানো প্রহসনের নির্বাচন করলেও নিজেদের পতন ঠেকাতে পারবে না।
বৃহস্পতিবার ১৪ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষ্যে রায়েরবাজার বধ্যভূমি স্মৃতিস্তম্ভে ফুলেল শ্রদ্ধাজ্ঞাপনকালে তিনি এসব কথা বলেন। ফুলেল শ্রদ্ধাজ্ঞাপনকালে বক্তব্য রাখেন এবি পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক প্রফেসর ডা. মেজর (অব.) আব্দুল ওহাব মিনার ও সদস্যসচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু।
আব্দুল ওহাব মিনার বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদারেরা যখন দেখল তাদের পরাজয় অবধারিত, তখন তারা কাপুরুষোচিত কায়দায় রাতের অন্ধকারে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে আমাদের মনোবল ভেঙে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু এই নৃশংসতা উল্টা তাদের নৈতিক পরাজয় ডেকে এনেছে। সেদিনকার বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড বাংলার মানুষকে আরও বেশি সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়তে উদ্বুদ্ধ করেছিল।
তিনি বলেন, বর্তমান স্বৈরাচারী সরকার পাকিস্তানি শোষকদের মতো একই পদ্ধতিতে গুম, খুন, গ্রেপ্তার ও ভয়-ভীতি দেখিয়ে গণতন্ত্রকামী মানুষকে দমন করতে চায়।
তারা মনে করেছে তাদের দুর্নীতি, লুটপাট ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সব আওয়াজকে তারা থামিয়ে দেবে। সরকারকে হুঁশিয়ার উচ্চারণ করে বলেন, বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেও বাংলার মানুষের বিজয় ঠেকানো যায়নি, প্রহসনের নির্বাচনও স্বৈরতন্ত্রের পতন ঠেকাতে পারবে না।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টির সিনিয়র সহকারী সদস্যসচিব আনোয়ার সাদাত টুটুল, যুবপার্টির আহ্বায়ক এ বি এম খালিদ হাসান, মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আলতাফ হোসাইন, সহকারী সদস্য সচিব এস এম আক্তারুজ্জামান, হাদিউজ্জামান খোকন, উত্তরের সদস্য সচিব ফিরোজ কবির, দক্ষিণের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল হালিম খোকন, যুগ্ম সদস্য সচিব সফিউল বাসার, কেফায়েত হোসেন তানভীর, ছাত্রপক্ষের আহ্বায়ক মোহাম্মদ প্রিন্স, সহকারী অর্থ সম্পাদক সুমাইয়া শারমিন ফারহানা, যুবপার্টির যুগ্ম সদস্য সচিব মাসুদ জমাদ্দার রানা, সুলতানা রাজিয়া, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সেলিম খান, রুনা হোসাইন, শাহীনুর আকতার শীলা, আফ্রিদ হাসান তমাল, ফেরদৌসী আক্তার অপি, আব্দুর রব জামিল, আমানুল্লাহ সরকার রাসেল, পল্টন থানা আহবায়ক আব্দুল কাদের মুন্সি, যাত্রাবাড়ী থানা সমন্বয়ক সিএম আরিফসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।