কুড়িগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তিতে জালিয়াতির সত্যতা পেয়েছে শিক্ষা বিভাগ। বিধি বহির্ভূতভাবে সাত শিক্ষার্থী ভর্তি করায় প্রধান শিক্ষক জিয়াসমিন আরাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুড়িগ্রাম জেলা শিক্ষা অফিসার মো. শামসুল আলম। তিন কর্মদিবসের মধ্যে মাউশির মহাপরিচালক বরাবর শোকজের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
জানা গেছে, কুড়িগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০২৪ সালের জন্য ষষ্ঠ শ্রেণিতে প্রভাতী ও দিবা শিফটে ক ও খ শাখা মিলে মোট ২২০ জন শিক্ষার্থী ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয় । সে অনুযায়ী কেন্দ্রীয় লটারির মাধ্যমে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয় । গত ৩ ডিসেম্বর ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয় । ভর্তি শুরুর প্রথম দিনেই প্রধান শিক্ষক তাড়াহুড়ো করে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ৬ জন ও নবম শ্রেণিতে ১ জন শিক্ষার্থীকে ভর্তির সুপারিশ করেন । কিন্তু তাদের কেউই লটারিতে ভর্তির সুযোগ পায়নি । এমনকি ১ জন শিক্ষার্থী অনলাইনে আবেদনও করেনি । ওই সাত শিক্ষার্থীর মধ্যে ৪ জন শিক্ষার্থী কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের ৪ শিক্ষকের সন্তান । ভর্তি কমিটির সদস্যরা আপত্তি জানালে তিনি জেলা প্রশাসকের অনুমতি নিয়েছেন বলে তাদের জানান । পরে ওই ৭ শিক্ষার্থীর ৬ জনকে প্রভাতী শিফটে ষষ্ঠ শ্রেণির ‘ক’ শাখায় এবং অপর ১ জনকে নবম শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়।
শোকজপত্রে বলা হয়েছে, জালিয়াতির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তির কারণে প্রধান শিক্ষিকাকে তিন কার্য দিবসের মধ্যে মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর বাংলাদেশ, ঢাকার দপ্তরে দাখিল করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো ।’