ইস্ট জোনের প্রথমবার বিসিএল শিরোপা জয়ের নায়ক খালেদ

আগুনে বোলিং করলেন সৈয়দ খালেদ আহমেদ। তার তোপে উড়ে গেল নর্থ জোন। প্রতিপক্ষকে ইনিংস ব্যবধানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) শিরোপা ঘরে তুলল ইস্ট জোন।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ বিসিএলের শেষ রাউন্ডের ম্যাচে নর্থ জোনকে ইনিংস ও ১১২ রানে হারায় ইস্ট জোন। প্রথম ইনিংসে ১০৮ রানে নর্থ জোনকে ১০৮ রানে গুটিয়ে ৩৫২ রান করে ইস্ট্ জোন। পরে দ্বিতীয় ভাগে প্রতিপক্ষকে তারা গুঁড়িয়ে দেয় ১৩২ রানে।

৩ ম্যাচে ২ জয় ও এক ড্রয়ে ২০ পয়েন্ট নিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করেছে ইস্ট জোন। একটি করে জয়-পরাজয় ও ড্রয়ে ১০ পয়েন্ট নিয়ে আসরের রানার্স আপ হয়েছে সেন্ট্রাল জোন।

ইস্ট জোনের শিরোপা জয়ের নায়ক খালেদ। তৃতীয় রাউন্ডে প্রথম ইনিংসে ৪ উইকেট নেওয়া এই পেসার দ্বিতীয়ভাগে ৫০ রানে নেন ৭টি। প্রথম শ্রেণিতে ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে ম্যাচ সেরাও হন তিনি। এনিয়ে সপ্তমবার ইনিংসে পাঁচ শিকার ধরলেন জাতীয় দলের এই ক্রিকেটার।

শুধু শেষ রাউন্ডেই নয়, আসর জুড়েই আলো ছড়ান খালেদ। স্রেফ দুই ম্যাচে খেলে সর্বোচ্চ ১৮ উইকেট নিয়ে টুর্নামেন্ট সেরার পুরস্কারও ওঠে তারই হাতে। আসরে ১৫ উইকেটও পাননি আর কেউ। সেন্ট্রাল জোনের আবু হায়দার রনির প্রাপ্তি ১২ উইকেট।

৩ উইকেটে ৬৭ রান নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে নর্থ জোন। নতুন সকালে কোনো প্রতিরোধই গড়তে পারেননি দলটি। নিয়মিত বিরতিতে হারায় উইকেট। আগের দিনের অপরাজিত ব্যাটসম্যান আবদুল্লাহ মামুনকে দ্রুত বিদায় করেন খালেদ। কিছুক্ষণ পর ড্রেসিং রুমে ফেরেন আরেক অপরাজিত ব্যাটসম্যান প্রিতম কুমারও।

এরপর প্রতিপক্ষ শিবিরে একের পর এক ছোবল দিতে থাকেন খালেদ। আগের দিন ২ উইকেট নেওয়া এই পেসার এদিন আরো পাঁচ উইকেট তুলে নেন। নর্থ জোনের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন আকবর আলি।

আরেক ম্যাচে সাউথ জোনকে ১০ উইকেটে হারিয়েছে সেন্ট্রাল জোন। প্রথম ইনিংসে ২১৪ রান করা সাউথ জোন দ্বিতীয়ভাগে স্রেফ ৪৯ রানে গুটিয়ে যায়। সেন্ট্রাল জোন প্রথম ইনিংসে ২৪৮ রান করে। পরে ১৬ রানের লক্ষ্য এক ওভারেই ছুঁয়ে ফেলে তারা।