আজ ঘরোয়া ফাস্ট ক্লাস প্রতিযোগিতা বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ (বিসিএল)-এ খেলতে নেমে প্রথম দিনেই বল হাতে ব্যক্তিগত বড় এক মাইলফলক স্পর্শ করেছেন অফস্পিনার নাঈম হাসান প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৩০০ উইকেটের অভিজাত ক্লাবে নাম লিখিয়েছেন ২৬ বছর বয়সী এই বোলিং অলরাউন্ডার। তবে এমন সাফল্যের দিনেও নাঈমের ক্যারিয়ার নিয়ে আক্ষেপ ঝরল কোচ রাজিন সালেহর কণ্ঠে।
টেস্ট অভিষেকেই ৫ উইকেট। সেটা ২০১৮ সালের নভেম্বরের কথা। কিন্তু এরপর সাড়ে ৭ বছরে মাত্র ১৪ টেস্ট খেলাতে পেরেছেন নাঈম হাসান। রাজিন সালেহর আক্ষেপের কারণ এটা। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমানে ঘরোয়া লিগের এই কোচের মতে, মেহেদী হাসান মিরাজের উপস্থিতির কারণেই নাঈমকে ‘দুর্ভাগা’ তকমা নিয়ে সাইডবেঞ্চে বসে থাকতে হচ্ছে।
এক সময় জাতীয় টেস্ট দলের নিয়মিত মুখ ছিলেন নাঈম হাসান। কিন্তু মিরাজের অলরাউন্ড নৈপুণ্য আর অভিজ্ঞতার কাছে বারবার একাদশে জায়গা হারাতে হয়েছে তাকে।
সিলেটে প্রথম দিনের খেলা শেষে রাজিন সালেহ বলেন, “আমি বলব সে (নাঈম) দুর্ভাগা। সে অবশ্যই ভালো বোলার। তবে ওর সমতুল্য যে আছে, তাকেও দেখতে হবে। মিরাজও ভালো বোলার এবং পরীক্ষিত। ওই জায়গায় নাঈম একটু দুর্ভাগা, সুযোগ কম পাচ্ছে।”
সামনে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের দুটি টেস্ট ম্যাচ রয়েছে, এরপর রয়েছে অস্ট্রেলিয়া সফর। এই বড় সিরিজগুলোর আগে চলমান বিসিএলকে প্রস্তুতির সেরা মঞ্চ হিসেবে দেখছেন কোচ। রাজিন সালেহ আশাবাদী যে, সুযোগ পেলে নাঈম আবারও জাতীয় দলকে সার্ভিস দিতে পারবেন।
নাঈমের পাশাপাশি এদিন তরুণ অলরাউন্ডার তোফায়েল আহমেদের প্রশংসাও করেন রাজিন। বিসিএল ও এনসিএল-এ ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করা তোফায়েলকে বাংলাদেশের আগামীর ভবিষ্যৎ হিসেবে দেখছেন তিনি। কোচের মতে, নিয়মিত সুযোগ পেলে তোফায়েলও জাতীয় দলের বড় সম্পদে পরিণত হবেন।
ফার্স্ট ক্লাসে বাংলাদেশের ৩০০+ উইকেট
১. আব্দুর রাজ্জাক: ১২৩ ম্যাচে ৬০১ উইকেট
২. সানজামুল ইসলাম: ১১৮ ম্যাচে ৪৪৯ উইকেট
৩. তাইজুল ইসলাম: ৯৪ ম্যাচে ৪৪০ উইকেট
৪. এনামুল হক জুনিয়র: ১১২ ম্যাচে ৪১৮ উইকেট
৫. মোশাররফ হোসেন রুবেল: ১০৮ ম্যাচে ৩৮৩ উইকেট
৬. নাবিল সামাদ: ১১৩ ম্যাচে ৩৭৮ উইকেট
৭. মোহাম্মদ শরীফ: ১১৯ ম্যাচে ৩৭৪ উইকেট
৮. সাকলাইন সজীব: ৯৪ ম্যাচে ৩৬৭ উইকেট
৯. সোহাগ গাজী: ১১৪ ম্যাচে ৩৫৭ উইকেট
১০. সোহরাওয়ার্দী শুভ: ১০৯ ম্যাচে ৩৪৮ উইকেট
১১. ইলিয়াস সানি: ৯৪ ম্যাচে ৩৩৮ উইকেট
১২. আবু জায়েদ রাহি: ১০৩ ম্যাচে ৩১৮ উইকেট
১৩. ফরহাদ রেজা: ১৪২ ম্যাচে ৩১২ উইকেট
১৪. নাঈম হাসান: ৭৫* ম্যাচে ৩০০ উইকেট
১৩৩ দিন পরও ‘অপরাজিত’ আবু হায়দার রনি