নির্বাচনী প্রচারণার সময় শরীয়তপুর-২ আসনে আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৭ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আহতদের শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল ও নড়িয়া মাজেদা হাসপাতালে ভর্তি চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নড়িয়া উপজেলা মূলফৎগঞ্জ বাজার এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- নড়িয়া পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি নজরুল খলিফা (৪৭), নজরুল ইসলাম বেপারী (৬০), রহিম খন্দকার (৩৬), রশিদ চৌকিদার (৪০), আব্দুল মান্নান বেপারী (৬৫) সুমন মোড়ল (৩০) ও মহিদুল বেপারী (৩৭) । আহতরা স্বতন্ত্র প্রার্থী খালেদ শওকত আলীর কর্মী সমর্থক।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আসনটিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী একেএম এনামুল হক শামীম এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য খালেদ শওকত আলী। শনিবার সন্ধ্যায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকরা নড়িয়া বাঁশতলা থেকে ঈগল প্রতীকের মিছিল নিয়ে মূলফৎগঞ্জ বাজার এলাকায় যাচ্ছিলেন। মিছিলটি বাজার ব্রিজে পৌঁছালে নৌকার সমর্থকরা। হামলায় ৭ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
স্বতন্ত্র প্রার্থী খালেদ শওকত আলী বলেন, আজ বিকেল ৫টায় নড়িয়া পৌরসভা বাঁশতলা গ্রামে ঈগল প্রতিকের পূর্ব নির্ধারিত জনসংযোগ ও মিছিল ছিল। মিছিল শুরুর আগেই নৌকার সমর্থকরা ২০/২৫টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মিছিলে হামলা চালায়। হামলায় আমাদের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আহত ৫ জনকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আমরা তাদের বিরুদ্ধে মামলা করবো।
আওয়ামী লীগের (নৌকা) প্রার্থী এনামুল হক শামীমের প্রধান নির্বাচন সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমাদের সমর্থকরা এমন ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। ঈগল প্রতীকের সমর্থকরা নিজেদের মধ্যে মারামারি করে আমাদের ওপর দোষ চাপাচ্ছে।
নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করছে। ঘটনাস্থলে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।