কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নে একটি ভবন হেলে পড়েছে। ভবনটি পাশের একটি তিনতলা ভবনের ওপর ঝুঁকে আছে। এতে তিনতলা ভবনের মালিক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন দাবি করে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত জানিয়েছেন। তবে প্রতিকার পাননি বলে দাবি তিনতলা ভবন মালিক মো. ইউনুস।
ইউনুসের দাবি, চারতলা ভবনটি হেলে পড়ায় জীবন ঝুঁকিতে তার ভবনের বাসিন্দারা। এতে তার ভবনের একাধিক ভাড়াটিয়া বাসা ছেড়ে চলে গেছেন।
গত ১৪ ডিসেম্বর ইউনুস পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে হেলে পড়া ভবনের মালিক আজিজুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ১৮ ডিসেম্বর পেকুয়া থানা পুলিশকে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এদিকে ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে হেলে পড়া ভবনটি ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা না মানলে ভবন মালিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চারতলা ভবনটি নির্মাণের সময় গর্ত ভরাট করে পাইলিং করা হয়নি এবং ফাউন্ডেশনে সিসি ঢালাই দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেছেন অভিযোগকারী ইউনুস। তিনি বলেন, যে কোন মুহুর্তে আজিজুল হকের চারতলা ভবন আমার ভবনের ওপর পতিত হয়ে মারাত্মক দুর্ঘটনা হতে পারে। এ কারণে আমার ভাড়াটিয়ারা বাসা ছেড়ে চলে গেছেন। এতে আমার মাসিক ৫২হাজার টাকা ক্ষতি হচ্ছে। ফলে বাড়ি তৈরির সময় নেওয়া ব্যাকের ঋণ পরিশোধ করকে পারছি না।
জানা যায়, ভবন হেলে পড়ার খবর পেয়ে পেকুয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা মো. শফিউল আলম ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সে সময় হেলে পড়া ভবন থেকে লোকজনকে সরে যাওয়ার জন্য নির্দেশনা দেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি ভেঙে ফেলার জন্য মালিক আজিজুল হককে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এরপরও কথা না শুনলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
হেলে পড়া ভবনের মালিক আজিজুল হক দেশ রূপান্তরকে বলেন বলেন, আমার পাশের তিন তলা ভবনের মালিক ইউনুস পেকুয়া ইউএনও অফিসে আমার বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি পেকুয়া থানা পুলিশ তদন্ত করছেন।