অমিতাভ বচ্চনের জন্যই বেঁচে ছিলেন অভিনেত্রী তাবাসসুম!

বছর খানেক আগে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছিল বর্ষীয়ান অভিনেত্রী তাবাসসুমের। যিনি কিনা শিশুশিল্পী হিসাবে মাত্র ৩ বছর বয়সে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন। ১৯৭২ থেকে ১৯৯৩ পর্যন্ত, তিনি দূরদর্শনে সেলিব্রিটি চ্যাট শো ‘ফুল খিলে হ্যায় গুলশান’-এর সঞ্চালনা করতেন। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়া রেডিফ ডটকমে উঠে এসেছে তাবাসসুমের পুরনো এক সাক্ষাৎকার। যেখানে তিনি জানিয়েছিলেন বিগ বি অভিতাভ কীভাবে একদিন তার জীবন বাঁচিয়েছিলেন। 

সাক্ষাৎকারে তাবাসসুম বলেন, ‘আমি আপনাদের অমিতাভ বচ্চনের একটা ঘটনা বলব যা ফুল খিলে হ্যায় গুলশান সম্পর্কিত নয়… আমি দেশ এবং দেশের বাইরে অমিতাভ বচ্চন এবং কল্যাণজি-আনন্দজির সঙ্গেও অনেক লাইভ শো করেছি। তবে এই ঘটনাটি ঘটেছিল মুম্বাইয়ের শানমুখানন্দ হলে। আমি তখন হুইলচেয়ারে বসে শো পরিচালনা করছিলাম কারণ আমার পা ভেঙে গিয়েছিল। হঠাৎই সেখানে আগুন লেগে যায়, দৌড়াদৌড়ি করতে গিয়ে অনেকে পদদলিত হন। আমি সাহায্যের জন্য চিৎকার করছিলাম, তবে কেউ আসেনি।’

তাবাসসুমের কথায়, ‘আমি সাহায্যের জন্য ডাকাডাকি শুরু করি, তবে তখন ওরা সবাই জীবনের জন্য দৌড়াচ্ছিল। তারপর অমিতজি এলেন। উনিই আমাকে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে গেলেন। আজ আমি ওর জন্যই বেঁচে আছি।’

তাবাসসুম আরও বলেন, ‘আমি সত্যিই বিশ্বাস করি, হামেশা দেখা গয়া হ্যায় মহন জুকতা হ্যায়, জমিন না ঝুকতি হ্যায়, আসমান ঝুকতা হ্যায়।’

তাবাসসুম বলেন, অমিতাভ বচ্চন অবশ্য কখনও তার অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দূরদর্শনের স্টুডিওতে আসেননি। পরিবর্তে, অমিতাভই তাকে তার ছবির সেটে ডেকেছিলেন। 

তাবাসসুম বলেন, তার ‘ফুল খিলে হ্যায় গুলশান’ চ্যাট শো থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই পরবর্তীকালে সিমি গ্রেওয়াল, অনুপম খের, করণ জোহর  সেলিব্রিটিদের নিয়ে চ্যাট শো শুরু করেন। তার কথায়, অনুপম খেরের শো তার শোয়ের পুরো কপি ছিল, যদিও এই শোগুলিও তার বেশ ভালোই লাগত।

প্রসঙ্গত ২০২২ সালের নভেম্বরে ৭৮ বছর বয়সে মৃত্যু হয় তাবাসসুমের।