চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা অত্যন্ত দুরূহ

রাজনৈতিক সংকট ঘনীভূত না হলে নতুন আওয়ামী লীগ সরকারকে পুরনো অর্থনৈতিক সমস্যাগুলোরই সমাধানের পথ খুঁজতে হবে। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে অর্থনীতি অনেক সময়ই রাজনীতি-মুখাপেক্ষী হয়ে থাকে। রাজনীতি স্থিতিশীল না হলে অর্থনীতিতে বিনিয়োগ কমে যায়, শক্তিশালী ব্যক্তিবর্গ টাকা পাচারে সচেষ্ট থাকেন আর নানা রকম কার্টেল ও সিন্ডিকেট বাজারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। ফলে অর্থনীতিতে নানা ধরনের ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয় যা জনগণের দুর্ভোগ বাড়িয়ে দিতে থাকে।

রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে বিশেষত প্রধান সমস্যাগুলো কী কী, তা নিয়ে কিছুটা মতের পার্থক্য থাকলেও অধিকাংশ অর্থনীতিবিদ মনে করেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, ডলারের বিপরীতে টাকার মান দ্রত কমে যাওয়া (ডলারের রিজার্ভ নিম্নগামী হওয়ার কারণে), ব্যাংকিং খাতের দুরবস্থা, দুর্নীতি ও টাকা পাচার এবং দেশে আয়-বৈষম্য বেড়ে যাওয়াই হচ্ছে বাংলাদেশের মূল অর্থনৈতিক ও সামাজিক চ্যালেঞ্জ। তবে, এ কথা সন্দেহাতীতভাবে বলা যায়, বাজারভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, মুনাফা অর্জনই যার মূল লক্ষ্য, বড় মূলধনকে আরও বড় করে, গরিবকে করে হতদরিদ্র। এই ব্যবস্থাতে নীতি-নৈতিকতার স্থান সীমিত। এজন্য সরকারের নানা প্রতিষ্ঠান একযোগে ও সমন্বিত উপায়ে কাজ করতে হয় যাতে করে বাজারের নিয়ন্ত্রণ ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর হাতে চলে না যায়। বাংলাদেশে এই প্রতিষ্ঠানগুলো, যেমন দুর্নীতি দমন কমিশন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, অর্থ-বাণিজ্য-শিল্প মন্ত্রণালয়, দেশের চেম্বার-সমূহ এবং বাংলাদেশ ব্যাংক একযোগে সমন্বয় করে কাজ করছে বলে অনেকেই মনে করেন না ।

করোনা অতিমারীর আগে দিয়েই কিছু কিছু সমস্যা বিশ্ব জুড়ে তীব্র হচ্ছিল যার কিছুটা প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছিল। বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের ডিস্টিঙ্গুয়িস্ট ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য সম্প্রতি বলেছেন : ‘অতিমারীর সময়ে বিশ্ব অর্থনীতি ঊর্ধ্বগামী ছিল না, পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়টি অনেকটা উপেক্ষিত ছিল এবং বহুপক্ষীয় অর্থনৈতিক কাঠামো অনেক দুর্বল হয়ে পড়েছিল আর বেড়ে যাচ্ছিল অর্থনৈতিক বৈষম্য।’ কারও বুঝতে অসুবিধা হচ্ছিল না যে, বহুজাতিক কোম্পানিগুলো ও তাদের দেশীয় প্রতিনিধিরা এই পরিস্থিতি থেকে লাভবান হচ্ছিলেন। করোনা অতিমারী যখন দুর্বল হয়ে এলো, তখন বাংলাদেশে দরিদ্র লোকদের সংখ্যা বেড়ে গেল, করোনার সময়ে অনেকেই চাকরিচ্যুত হলেন, ব্যবসা-বাণিজ্য (অনলাইন মুদি স্টোর বাদে) যথেষ্ট কমে গেল এবং অনেক নাগরিক তাদের সঞ্চিত অর্থ দিয়ে সংসারের খরচ বহন করলেন। অবশ্য, এ-সময় সরকার নানাবিধ সামাজিক সুরক্ষা দিতে এগিয়ে আসে এবং রপ্তানিমুখী শিল্প-কারখানাগুলো সবচেয়ে বেশি সুবিধা নিয়ে নেয় । পরবর্তী সময়ে যখন রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করে বসল, তখন সরকার দেশের অর্থনীতির সব দুর্বলতার জন্য এই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ভাইরাসকে ও ইউরোপের ঐ যুদ্ধকে দোষারোপ করল। ফলে দেশের ব্যাংক থেকে টাকা লোপাট, অনলাইন ব্যবসার নামে মানুষের পকেট কেটে টাকা হাতিয়ে নেওয়া, কিছু মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে পর্যাপ্ত জবাবদিহির অনুপস্থিতি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে গিয়ে ডলারের অতিমূল্য দেশের অর্থনীতিকে অস্থিতিশীল করে তোলে। আর, ঘটনার পরম্পরায় তৈরি হওয়া বাধাহীন মুদ্রাস্ফীতি, নানা বিষয়ে সরকার-গবেষক ও সুবিধাভোগীদের মধ্যে মতপার্থক্য এবং সর্বোপরি রাজনৈতিক মতভেদ (অর্থনীতির অরাজনৈতিক প্রভাবক) আমাদের একেবারে কোণঠাসা করে দিয়েছে। এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর আমাদের ভাবতে হচ্ছে পুরনো ও নতুন মন্ত্রী-সাংসদ নিয়ে আওয়ামী লীগ সরকার দেশের নেতিবাচক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি কীভাবে মোকাবিলা করবে!

নতুন সরকারের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ হচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আনা। এখন মূল্যস্ফীতি ৯.৪২ শতাংশ। শীতকালীন শাক-সবজি, মাছ-মাংস গত বছরের তুলনায় কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রায় দ্বিগুণ মূল্যে বিক্রি হচ্ছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতির বিপরীতে মানুষের আয়-রোজগার বাড়েনি বললেই চলে। উল্টো বাড়ি ভাড়া ও খাদ্যমূল্য বেড়ে যাওয়ায় সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা। ফলে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের স্বল্পমূল্যের পণ্য বিক্রির ট্রাকের পেছনে ক্রেতার সারি দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। নিত্যনতুন মুখ ছুটছে ট্রাকের পেছনে। এই পরিস্থিতি থেকে ভুক্তভোগী নাগরিকদের সহযোগিতা করতে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আয়-বৈষম্য কমানো ও দেশে বিনিয়োগ বাড়ানোর বিকল্প নেই।

সরকারের দ্বিতীয় চ্যালেঞ্জ হলো ডলারের রিজার্ভ বাড়ানো। চাইলেই চটজলদি রিজার্ভ বাড়ানো যায় না। এজন্য সরকারকে প্রয়োগবাদী নীতি নিতে হবে এবং দেশ থেকে ডলার-ফর্মে অর্থপাচার রোধ করতে হবে। বাংলাদেশের অর্থনীতি আমদানিনির্ভর হওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্থিতিশীল রাখা অত্যন্ত জরুরি বিষয় হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। অপ্রয়োজনীয় মেগা-প্রকল্প কাটছাঁট করা, ডলারের মূল্যমান ধীরে ধীরে বাজারের ওপর ছেড়ে দেওয়া, ওভার ও আন্ডার ইনভয়েসিং বন্ধ করা, প্রবাসীদের জন্য ডলারের মূল্য আপাতত বাড়িয়ে দিয়ে তাদের হুন্ডি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সরিয়ে আনলে রিজার্ভের পরিমাণ বাড়তে শুরু করবে। যে রিজার্ভ এই সরকারের সময়ে সর্বোচ্চ ৫০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছিল, সেটি এখন ২০ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। রিজার্ভ কমে যাওয়াতে ভোজ্য তেল, জ্বালানি তেল ও গ্যাস আমদানিতে সমস্যা প্রকট হয়েছে। একদিকে বড় বড় শিল্পকারখানাগুলো বিশেষ করে সিরামিক, ইস্পাত, টেক্সটাইল তাদের প্রয়োজনের মাত্র ৬০ শতাংশ গ্যাস পাচ্ছে অন্যদিকে ছোট ও মাঝারি কলকারখানা মারাত্মক জ্বালানি সংকটে উৎপাদন কমিয়ে দিতে বাধ্য হচ্ছে। আমদানিকারকরা ঠিকমতো ঋণপত্র খুলতে না পারার কারণে অনেক পণ্যের মূল্য যথেষ্ট বেড়ে গেছে।

কোনো সন্দেহ নেই, সরকারের তৃতীয় চ্যালেঞ্জ হলো রাজস্ব বাড়ানো। বাংলাদেশের কর-জিডিপি অনুপাত অন্যান্য দেশের তুলনায় নিতান্তই কম। এদেশে বর্তমানে রাজস্ব-জিডিপির অনুপাত ৮ শতাংশের নিচে। অথচ নিবন্ধিত করদাতার সংখ্যার দিক দিয়ে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের পরই বাংলাদেশের অবস্থান। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের ২০২১ সালের একটি বিশ্লেষণধর্মী প্রকাশনা অনুযায়ী ২০১৬-২০ সালে বাংলাদেশের ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত ছিল গড়ে ৯ দশমিক ৯ শতাংশ। একই সময়ে এ অনুপাত ভারতে ছিল ১৯.৬৭, নেপালে ২১.৫০, পাকিস্তানে ১৪.৮৮ ও শ্রীলঙ্কায় ১২.৭৪ শতাংশ। সরকার ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মধ্যে এই অনুপাত ১০.৬০ শতাংশে উন্নীত করতে চায়। আইএমএফের কর-জিডিপি অনুপাতের শর্ত পূরণে তিন বছরে বাড়তি রাজস্ব আদায় করতে হবে ২.৩৪ লাখ কোটি টাকা যা রাজস্ব বোর্ডের জন্য অত্যন্ত কঠিন হবে।

রাজস্ব বোর্ডের করনীতির সাবেক সদস্য মো. আলমগীর হোসেন একটি ইংরেজি পত্রিকাকে বলেছেন, সরকারের লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে কর-জিডিপি অনুপাত ১৭ শতাংশে উন্নীত করা। এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ২০২৬ সালের মধ্যে ৯.৫ শতাংশ কর-জিডিপি অনুপাত অর্জনের কথা বলেছে। রাজস্ব বোর্ড লক্ষ্য অর্জনে বারংবার ব্যর্থ হচ্ছে। এতে করে দিনে দিনে বাজেট ঘাটতি বেড়েই চলেছে আর সরকারকে সেই ঘাটতি পূরণে দেশি-বিদেশি উৎস থেকে ঢের বেশি ঋণ করতে হচ্ছে। গত পাঁচ বছরে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে সরকারের ঋণ বেড়েছে প্রায় ৪ লাখ কোটি টাকা!

এদিকে, বেড়েই চলেছে খেলাপি ঋণের পরিমাণ। বাংলাদেশে ২০০৯ সালে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা যা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩১ হাজার ৬২০ কোটি টাকায়। তবে আইএমএফের হিসাব অনুযায়ী এই পরিমাণ ৩ লাখ কোটি টাকার কম নয় । সংস্থাটি মনে করে সন্দেহজনক ঋণ, আদালতের আদেশে স্থগিতাদেশে থাকা ঋণ, পুনঃতফসিলিকরণ ও পুনর্গঠন ঋণকেও সাময়িকভাবে খেলাপি ঋণ হিসেবে গণ্য করতে হবে।

গত বছরের এক হিসাব অনুযায়ী (মার্কিন গবেষণা সংস্থা গ্লোবাল ফিনান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটি) আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর গড়ে ৭৫৩ কোটি ৩৭ লাখ টাকা পাচার হয়ে যাচ্ছে যা টাকার অঙ্কে দাঁড়ায় প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা। তারা বলছে, গত সাত বছরে সাড়ে চার লাখ কোটি টাকার বেশি দেশ থেকে পাচার হয়ে গেছে। এই টাকা ফেরত আনা নতুন সরকারের পক্ষে আদৌ সম্ভব কি-না তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডি ২০০৮ সাল থেকে ২০২৩ সাল অব্দি এক সংকলিত হিসাবে বলছে বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ঐ সময়ে ৯২,২৬১ কোটি টাকা পাচার হয়ে গেছে । এই পাচারকৃত অর্থ চলতি বাজেট-বছরের ১২ ভাগ এবং জিডিপির ২ শতাংশের মতো।

বাংলাদেশ এখন যে ধরনের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক কাঠামোতে রয়েছে তাতে এসব গুরুতর অর্থনৈতিক সমস্যা কি সত্যি সমাধান হবে? এর ওপর আবার শঙ্কা থেকেই যায় বাংলাদেশের নির্বাচন প্রশ্নে পাশ্চাত্য দেশগুলো বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই দেশের ওপর কোনো ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে কি-না। ব্যবসায়ীরা অবশ্য এই মুহূর্তে কোনো সার্বিক নিষেধাজ্ঞার সম্ভাবনা দেখছেন না। কিন্তু এই ধরনের সিদ্ধান্তে আমরা এখনই আসতে পারছি না। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে পারস্পরিক সম্পর্কের বিষয়ে নানা ধরনের অভিযোগ আনলেও চলমান সম্পর্কের অবনতি হয়তো চাচ্ছে না। এদেশের ভূ-রাজনৈতিক অবস্থানের গুরুত্বের কথা বিবেচনা করে ওয়াশিংটন ঢাকার সঙ্গে সংলাপ চালিয়ে যেতে চায় বলেই প্রতীয়মান হয়। কোনো ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে ঢাকা আরও বেশি পূর্বমুখী হয়ে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন ও তার অন্যান্য কৌশলগত বিষয় নিয়ে এখানে কীভাবে ভূমিকা পালন করবে? আবার এই মুহূর্তে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারী দেশ হিসেবে বিশেষ অবস্থান ও ক্রেতাদের ভরসার স্থল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। চট করে এর বিকল্প খুঁজে পাওয়া সম্ভব নয়।

আবারও গুরুতর অর্থনৈতিক সমস্যার বিষয়ে ফিরে আসি। এসব সমস্যার গুণগত ও পরিমাণগত দিক রয়েছে। একই ধরনের ও গতানুগতিক আর্থ-রাজনৈতিক পরিবেশে দেশের প্রধান নির্বাহী ব্যক্তিরা কি কঠোর ভূমিকা নেবেন? যে সংসদে ব্যবসায়ীদের আধিক্য যে কোনো সময়ের তুলনায় বেশি, সেরকম একটি বাস্তবতায় নতুন অর্থমন্ত্রী কীভাবে খেলাপি ঋণ আদায়ের বিষয়ে শক্ত কশাঘাত প্রয়োগ করবেন? টাকা পাচারকারীদের বিচার ও পাচারকৃত অর্থ কীভাবে দেশে ফিরে আসবে? সামাজিক সুরক্ষা হয়তো বাড়ানো সম্ভব, কিন্তু আয়-বৈষম্য কীভাবে কমবে? দুর্নীতি দমন কমিশনের দাঁত আরও ধারালো করতে রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ কি এগিয়ে আসবেন? এসব প্রশ্নের উত্তর যদি হয় ‘ইয়েস’, তবেই উপরোক্ত চ্যালেঞ্জগুলো এই সরকার মোকাবিলা করতে পারবে। আর উত্তর ‘নো’ হলে মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক ও নানা সরকারি অধিদপ্তর আগের মতোই পরস্পরকে দোষারোপ করে যাবে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যের সংকট তো তাদের বোনাস হিসেবে থাকছেই।

লেখক: ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক

govindashil@gmail.com