বন্যপ্রাণী রক্ষা করে প্রশংসা কুড়াচ্ছে পুলিশ

আন্তর্জাতিকভাবে বন্যপ্রাণীর বিলুপ্তি ও পাচার প্রতিরোধে বিশ্বব্যাপী অপারেশন থান্ডার ২০২৩ শিরোনামে ইন্টেলিজেন্স-লেড অপারেশন পরিচালনা করেছে ইন্টারপোল। আর এই কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। গতবছর এ নিয়ে সারা দেশে ২৪টি অভিযান চালিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রসংশিত হয়েছে তারা।

আজ বুধবার সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, বিলুপ্তপ্রায় বন্যপ্রাণী রক্ষায় ও অবৈধভাবে পাচার প্রতিরোধে সার্বক্ষণিক নজরদারি ভিত্তিতে "অপারেশন থান্ডার ২০২৩" কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশ নিয়মিত অভিযান চালায়। এরই ধারাবাহিকতায় বিলুপ্ত বন্যপ্রাণী রক্ষায় এবং অবৈধভাবে পাচারের সময় গতবছর ঢাকা, গাজীপুর, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, কুমিল্লা, সিরাজগঞ্জ, ফেনীসহ দেশব্যাপী ২৪টি অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে বিপন্ন প্রজাতির ভল্লুক শাবক, হগ ব্যাজার (গোর খোদক), হনুমান, উল্লুক, সুন্ধি কাছিম, রাজধনেশ, কোকিল, টিয়া, ময়না, কাঠবিড়ালি, পেঁচা ও লজ্জাবতী বানরসহ অন্যান্য প্রাণী উদ্ধার করে বনবিভাগের সহায়তায় অবমুক্ত করা হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অপারেশন থান্ডার ২০২৩ কার্যক্রম সংক্রান্তে এ মাসে সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে বন্যপ্রাণী রক্ষা ও পাচার প্রতিরোধ সংক্রান্ত ঘটনা সনাক্তে (কেস রিপোর্ট) বাংলাদেশ পুলিশ সর্বোচ্চ সংখ্যক সাফল্য অর্জন করেছে। বন্যপ্রাণী রক্ষায় বাংলাদেশ পুলিশের এই কার্যক্রম আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ভূষি প্রশংসা অর্জন করে। ফলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে।

পুলিশ জানায়, অবৈধভাবে বন্যপ্রাণী পাচারের সাথে জড়িত সংঘবদ্ধ চক্রগুলো পার্শ্ববর্তী দেশ মায়ানমারসহ বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থান থেকে বিলুপ্ত প্রজাতির বন্যপ্রাণী সংগ্রহ করে। পরে দেশের দক্ষিণাঞ্চলকে (খুলনা-সাতক্ষীরা) উক্ত বণ্যপ্রাণী পাচারের রুট হিসেবে ব্যবহার করে।