ইউক্রেন ইচ্ছাকৃতভাবে রাশিয়ার বন্দি বহনকারী বিমান ধ্বংস করেছে বলে অভিযোগ করেছে মস্কো। বুধবার (২৪ জানুয়ারি) রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া বিবৃতিতে ইউক্রেনের এই হামলাকে ‘বর্বরোচিত সন্ত্রাসী আচরণ’ বলে উল্লেখ করা হয়। খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
বিবৃতিতে বলা হয়, এই হামলার মধ্য দিয়ে ইউক্রেন আবারও তার সত্যিকারের চেহারা দেখাল। রুশ বিমান ধ্বংসের কারণে মোট ৭৪ জন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে ৬৫ জন ইউক্রেনীয় বন্দী, বাকি ৯ জন ক্রু।
এদিন বিকালে ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়ার বন্দি বিনিময় হওয়ার কথা ছিল। বন্দিদের ইউক্রেনের হাতে তুলে দিতে বিমানে করে তাদের নিয়ে আসছিল রাশিয়া। কিন্তু ইউক্রেন সীমান্তের কাছাকাছি পৌঁছালে মিসাইল ছুড়ে বিমানটি ধ্বংস করা হয়।
রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিমানটি বেলগোরদের চেকালোভস্কি সামরিক ঘাঁটির দিকে যাচ্ছিল। কিন্তু খারকভ অঞ্চলে থাকা ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থেকে ওই বিমান টার্গেট করে মিসাইল ছোড়া হয়। এতে বিমানটি মাটিতে আছড়ে পড়ে এবং আগুন ধরে যায়।
রাশিয়া জানিয়েছে, বিমানটি ধ্বংসে ইউক্রেন অন্তত দুইটি মিসাইল ছুড়েছিল।
ইউক্রেনের এক সামরিক গোয়েন্দা মুখপাত্র বলেছেন, বুধবার যে বন্দি বিনিময়ের পরিকল্পনা ছিল তা শেষ মুহূর্তে বাতিল করা হয়েছে।