অস্ট্রেলিয়ান টেনিস কিংবদন্তি রড লেভার কিছুদিন আগেই বলেছিলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের শিরোপাতে জকোভিচের নাম খোদাই করে দেওয়া হোক। তাকে থামাতে হলে অন্য কাউকে অলৌকিক কিছু করে দেখাতে হবে।’ সেই অলৌকিক কাণ্ড করে দেখিয়েছেন ইয়ানিক সিনার। প্রথম চার সেটের তিনটিতেই জিতে জকোভিচকে হারান তিনি।
বিশ্বের চতুর্থ বাছাই ইয়ানিক সিনারের কাছে সেমিফাইনাল হারের পর কোনো অজুহাত দেখাননি জকোভিচ। লুকাননি নিজের দুর্বলতাও। ৪১৫ গ্র্যান্ড স্ল্যাম ম্যাচের ক্যারিয়ারে এই প্রথম কোনো ম্যাচে ব্রেক পয়েন্ট নেয়ার সুযোগই পাননি টেনিসের রাজা। ম্যাচ শেষে তাই জকোভিচ বলেছেন, ‘এই পরিসংখ্যানই অনেক কিছু বলে দিচ্ছে।’
প্রতিপক্ষের তরুণ সিনারের প্রশংসা করেছেন জকোভিচ। বলেন, ‘ও খুব নিখুঁত ও সুন্দর সার্ভ করছিল। সার্ভিংয়ের পরের শটটিও দারুণ খেলছিল। আমার নিজের খেলা সম্পর্কে বর্ণনা করা বেশ কঠিন। কোর্টে আমি অনেক নেতিবাচক কাজ করেছি। ফোরহ্যান্ড, ব্যাকহ্যান্ডসহ কোনো শটেই আমি আমার উপর সন্তুষ্ট নই।’
সিনার সম্পর্কে জকোভিচ আরও বলেছেন. ‘সিনারই ফাইনালে খেলার যোগ্য। এই ম্যাচে সে সবদিক দিয়ে আমাকে ছাপিয়ে গেছে।’
মহারাজের মুকুট পরতে আগামী মে মাসে ফ্রেঞ্চ ওপেন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে জকোভিচকে। ২৪টি গ্র্যান্ড স্ল্যাম জিতে কিংবদন্তি মার্গারেট কোর্টের সঙ্গে যৌথভাবে সর্বোচ্চের কীর্তি গড়েছেন জকোভিচ।