পিস্তলের ছবি পাঠিয়ে হিরো আলমকে হত্যার হুমকি

প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে আলোচিত ইউটিউবার আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলমকে। বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে হোয়াটসঅ্যাপে এই হত্যার হুমকি ও একটি পিস্তলের ছবি দেওয়া হয়।

এদিকে আজ শনিবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেল ৪টায় হিরো আলম সুস্থ আছেন এবং নিজের কাজে ব্যস্ত রয়েছেন বলে জানান। তাকে হত্যার হুমকির বিষয়ে এর আগে শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে হোয়াটসঅ্যাপে দেওয়া হত্যার হুমকির স্ক্রিনশট নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্ট করেন তিনি।

হিরো আলমের হোয়াটসঅ্যাপে নম্বরে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩টা ২০ মিনিটে অচেনা একটা নম্বর থেকে প্রথমে মেসেজ দেওয়া হয়। সেখানে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। হোয়াটসঅ্যাপে সেই ম্যাসেজে লেখা হয়েছে হিরো আলমকে উদ্দেশ্য করে, তা হলো- ‘তুই সাবধানে থাকিস। কতটুকু পড়ালেখা করছোস, তুই আসিফ মাহাতাব স্যারকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করলি। তুই আমার পরিচয় নিবি নে। তোরে আমি দুদিনের ভেতরে মারমু, তোর কোন বাপে ঠেকায় দেখমু, তুই শেষ।’ এরপর ৩টা ২৫ মিনিটে আবার মেসেজ দেয়। সেখানে লেখা হয়, তোর কতটুকু শক্তি আছে আমি দেখমু।’ এই মেসেজের তিন মিনিট পরেই একটা পিস্তলের ছবি পাঠানো হয়। আর সেখানে গালি দিয়ে লেখা হয়, 'প্রকাশ্যে তোকে গুলি করমু।'

শনিবার বিকেলে হিরো আলম হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজটির বিষয়ে বলেন, আমি সাধারণ মানুষের মতো চলাফেরা করি। সব স্থানে যাতায়াত করি। গুলি করে মারা তো খুব সহজ ব্যাপার। আবার হুমকি দেওয়ার কি আছে।

আইনি ব্যবস্থা নেবেন কি-না এ বিষয়ে হিরো আলম বলেন, আমি এখন ঢাকায় আছি। এ বিষয়ে ঢাকাতে জিডি করব, সেটা রেডি করছি। আর আসিফ মাহতাবকে আমি কোনো বাজে মন্তব্য করিনি।

উল্লেখ্য, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৪ আসনের উপনির্বাচনে ডাব প্রতীকে ভোটে দাঁড়িয়ে জামানত হারান হিরো আলম। এরআগে ২০২৩ সালের ১ ফেব্রুয়ারি বগুড়া-৪ ও ৬ আসনের উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে অংশ নিয়ে হেরে যান। পরে গত বছরের ১৭ জুলাই ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনেও অংশ নিয়েও পরাজিত হন তিনি। ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে বগুড়া-৪ আসন থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেও হেরে যান হিরো আলম।