হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় হবিগঞ্জ জেলা সদরে অবস্থিত হলেও শিক্ষকসহ বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়োগ পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে রাজধানী ঢাকায়। শুধু তাই নয় পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র সরবরাহ না করে মোবাইল এসএমএস দেয়া হচ্ছে। এতে বলা হয়েছে, পরীক্ষার দিন হাতে হাতে প্রবেশপত্র সরবরাহ করা হবে। অপরদিকে যোগ্যতা সম্পন্ন অনেক প্রার্থীই এসএমএস পাননি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আগামীকাল সোমবার (২৯ জানুয়ারি) এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক পদে মৌখিক পরীক্ষা ঢাকায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে সহযোগী, সহকারী ও প্রভাষক পদে ৩৩ জন, সহকারী প্রকৌশলী ও উপসহকারী প্রকৌশলী পদে ৬ জন, সহকারী পরিচালক জনসংযোগ ও প্রকাশনা ১জন, প্রশাসনিক কর্মকর্মতা ৩ জন, সেকশন অফিসার ৯জন, অফিস সহকারি কাম কম্পিউটার টাইপিস্ট ৯জন, ল্যাব টেকনেশিয়ান ১জন, প্লাম্বার ১জন, ইলেকট্রিশিয়ান ১জন,ক্যাডালগার ২জন, ফটোকপি অপারেটর ৩জন, উপসহকারি খামার তত্ত্বাবধায়ক ১জন, বাবুর্চি ২জন, এটেনডেন্ট ২জন, ফটোগ্রাফার ১জন, অফিস সহায়ক ১৪জন, নিরাপত্তা সুপারভাইজার ১জন, সুপারিটেনডেন্ট ১জন নিয়োগের জন্য সম্প্রতি বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন পরীক্ষার্থী জানান, ৬০০ টাকা নিয়োগ পরীক্ষা ফি নেয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মাত্র একদিন আগে মোবাইলে এসএসএম দিয়ে পরীক্ষার নোটিশ পাঠিয়েছে। তার অভিযোগ এতো কম সময়ে পরীক্ষার তারিখ দেয়ার কারণ কি? এছাড়া হবিগঞ্জ শহরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থাকার পরেও ঢাকায় পরীক্ষা নেয়া রহস্যজনক।
এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল বাসেত বলেন, নিয়োগ বোর্ডে অনেক বিশেষজ্ঞগণ আছেন যারা ঢাকার বাইরে যেতে চান না। এছাড়া তাদের থাকার মতো সুবিধা বিশ্ববিদ্যালয়ে নেই।
পর্যাপ্ত সময় না দিয়ে পরীক্ষার নিকটবর্তী সময়ে এসএসএম দেয়ার ব্যাপারে তিনি বলেন, এ ধরনের কোনো অভিযোগ পরীক্ষার্থীরা আমাকে জানাননি। এটি সাংবাদিকদের প্রশ্ন হতে পারে। ঢাকায় হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় অফিস কোথায় জানতে চাইলে বিষয়টি তিনি এড়িয়ে যান।