এবি পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম বলেছেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে দেশের সাধারণ মানুষ হিমশিম খাচ্ছে। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির জন্য সরকারের মদদপুষ্ট লুটেরা সিন্ডিকেট দায়ী। এদের বিরুদ্ধে দল মত নির্বিশেষে সকল নাগরিককে সোচ্চার হতে হবে।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি) উদ্যোগে বিজয় নগরস্থ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, প্রতিবছর রমজান এলে তেল, চিনি, পেঁয়াজের দাম বাড়ে। রমজানে শ্রমজীবী মানুষের আয় অপেক্ষাকৃত কম থাকে। সাধারণ মানুষের খাবারের চাহিদাও কমে যাওয়ার কথা। কিন্তু রহস্যজনকভাবে প্রতিবছর একটা চক্র কৃত্রিমভাবে সংকট তৈরি করে দাম বাড়িয়ে ফেলে। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও জনদুর্ভোগের জন্য জবাবদিহিতা বিহীন সরকারের লুটপাটই দায়ী।
দ্রব্যমূল্য কমিয়ে দ্রুত মানুষের ক্রয়ক্ষমতায় নিয়ে আসার জন্য কিছু প্রস্তাবনা তুলে ধরে তাজুল ইসলাম বলেন, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও জনজীবন অসহনীয় করে তোলার পেছনে প্রধান কারণ হচ্ছে জবাবদিহিতাহীন সরকার জনদুর্ভোগকে পরোয়া না করা, অসাধু ও অনৈতিক সিন্ডিকেট, কৃষি ও দেশীয় উৎপাদন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেওয়া, আমদানি নির্ভর অর্থনীতি, ভোক্তা অধিকার রক্ষার জন্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা ও দক্ষতা না থাকা এবং মুদ্রাস্ফীতি।
তিনি আরও বলেন, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে যে বাংলা ছিল সম্পদ ও সুখে সমৃদ্ধ যে বাংলাদেশে গোলা ভরা ধান, গোয়াল ভরা গরু পুকুর ভরা মাছ এবং আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে এই সব শব্দমালা প্রবাদ বাক্য হিসেবে ব্যবহৃত হতো সেই বাংলাদেশের সাধারণ মানুষদের সামান্য পেঁয়াজ, চাল, আলু কিনতে দিনের সিংহভাগ সময় টিসিবির ট্রাকে লাইন ধরে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক বি এম নাজমুল হক, সদস্যসচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু, কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল মামুন রানা, কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক আনোয়ার সাদাত টুটুল, এবি যুব পার্টির আহ্বায়ক এ বি এম খালিদ হাসান, যুব পার্টির সদস্যসচিব শাহাদাত উল্লাহ টুটুল, মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী নাসির, যুগ্ম সদস্যসচিব কেফায়েত হোসেন তানভীর, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সেলিম খান, এনামুল হক, রুনা হোসাইন, ফেরদৌসী আক্তার অপি, আমেনা বেগম, মশিউর রহমান মিলু, রিপন মাহমুদ, পল্টন থানার আহবায়ক আব্দুল কাদের মুন্সি, যাত্রাবাড়ী থানা সমন্বয়ক সিএম আরিফ, ছাত্রনেতা হাসিবুর রহমান খান, ফজলে এলাহী মোহনসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।