বিদেশের যুদ্ধে দেশে প্রাণহানি

মিয়ানমারে জান্তা সরকারের বাহিনী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীর মধ্যে লড়াই অব্যাহত রয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে এপারে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে। গতকাল সোমবার মিয়ানমার থেকে আসা মর্টার শেলের আঘাতে ঘুমধুমে বাংলাদেশি এক নারীসহ দুজন নিহত হয়েছে। আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে এলাকা ছাড়ছে কক্সবাজার ও বান্দরবান সীমান্তের বাসিন্দারা।

বিদ্রোহীদের সঙ্গে সংঘাতের মধ্যে গত দুদিনে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) ১০৩ সদস্য বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৫ জন গুলিবিদ্ধ, তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এদিকে সীমান্তে ৪০০ জন চাকমাসহ হাজারের অধিক রোহিঙ্গা প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে প্রবেশের সুযোগ খুঁজছে।

এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সীমান্তের সুরক্ষায় টহল জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

মিয়ানমারের পরিস্থিতি নিয়ে গতকাল জাতীয় সংসদেও আলোচনা হয়েছে। সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের অনুপস্থিতিতে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বিরোধী দলের চিফ হুইপ মুজিবুল হক চুন্নুর সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে বলেন, মিয়ানমার ইস্যুতে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) ধৈর্য ধারণ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

অন্যদিকে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কোনো অবস্থাতেই বাস্তুচ্যুতদের ঢুকতে দেওয়া হবে না। মিয়ানমার ইস্যুতে আর কোনো উদারতা দেখানো সম্ভব নয় এবং সেখান থেকে নতুন কেউ বাংলাদেশে এলে তাকে গ্রহণ করা হবে না। আর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ জানিয়েছেন, মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির সদস্যদের ফিরিয়ে নিতে দেশটির সঙ্গে আলোচনা চলছে।

মিয়ানমার থেকে আসা গোলায় নারীসহ দুজন নিহত : বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসন, আরআরআরসি, পুলিশ, বিজিবি ও স্থানীয়দের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, শনিবার রাত থেকে হামলা, পাল্টা হামলা, গোলাগুলি, মর্টার শেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে গতকাল দুপুর ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বেতবুনিয়া সীমান্ত এলাকার জলপাইতলী গ্রামে ও কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নে সীমান্ত সড়কের পাশের ঢেকুবুনিয়া এলাকায় গুলি ও মর্টার শেল এসে পড়ে। মর্টার শেলে জলপাইতলীতে বাংলাদেশি এক নারীসহ দুজন নিহত হয়েছেন। নিহত নারী জলপাইতলী গ্রামের বাদশা মিয়ার স্ত্রী হোসনে আরা বেগম (৪৫) আর রোহিঙ্গা ব্যক্তির নাম নবী হোসেন (৭০)।

ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (ইউপি) এ কে এম জাহাঙ্গীর আজিজ বলেন, বেলা পৌনে ৩টার দিকে রোহিঙ্গা ব্যক্তিকে দুপুরের খাবার দেওয়ার জন্য রান্নাঘরে যান হোসনে আরা। তখন মর্টার শেলটি এসে রান্নাঘরের ওপর পড়ে। এতে ঘটনাস্থলে তাদের মৃত্যু হয়।

ঘুমধুম ফাঁড়ির ইনচার্জ মাহাফুজ ইমতিয়াজ ভূঁইয়া জানান, নিহত নারীর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে রোহিঙ্গা ব্যক্তির মরদেহ ঘটনাস্থলেই আছে।

বাংলাদেশে আশ্রয় নিল ১০৩ বিজিপি সদস্য : গত দুদিনে ১০৩ জন বিজিপি সদস্য বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। তাদের নিরস্ত্র করে আশ্রয় দেয় বিজিবি। ৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল আবদুল্লাহ আল মাশরুকি বলেন, গতকাল সন্ধ্যার দিকেও কয়েকজন বিজিপি সদস্য বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন।

আতঙ্কে ঘরবাড়ি ছাড়ছে সীমান্ত এলাকার মানুষ : মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে আতঙ্কে উখিয়া, টেকনাফ ও ঘুমধুমসহ সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দারা ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে শুরু করেছে। এরই মধ্যে ঘুমধুম ইউনিয়নের তমব্রুর কোনারপাড়া, মধ্যমপাড়া, উত্তরপাড়া ও পশ্চিমপাড়া, বেতবুনিয়া. জলপাইতলী গ্রাম ও নয়াপাড়াসহ আরও চার-পাঁচটি গ্রামের বাসিন্দারা অন্যত্র চলে গেছে। পালংখালী ইউনিয়নে সীমান্তের কাছে বসবাসকারী অনেকে এবং টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে বসবাসকারীদের অনেকে বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে উঠেছেন।

কোনারপাড়ার বাসিন্দা নুর মোহাম্মদ বলেন, ঘরের কোনো জিনিসপত্র তারা নিয়ে আসতে পারেননি। গোলাগুলি এখনো থামেনি। অনেক ভয়ে আছেন। ভাজবুনিয়া সীমান্তের বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘অনেক ভয়ে আছি। কখন কার বাসায় গোলা এসে পড়ে বলা যায় না। পরিবারের সবাইকে নিয়ে চিন্তায় আছি।’

এ বিষয়ে পালংখালীর ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল গফুর বলেন, রবিবার রাত থেকে সোমবার পর্যন্ত আমার ইউপির সীমান্ত ঘেঁষে রাখাইন রাজ্যে সংঘর্ষ চলছে। এ কারণে অনেকেই নিরাপদ স্থানে সরে গেছে।

ঘুমধুম ইউপি চেয়ারম্যান একেএম জাহাঙ্গীর আজিজ বলেন, রাখাইন রাজ্যে সংঘর্ষে সবচেয়ে নাজুক অবস্থা আমার ইউপির। ১৩-১৪টি সীমান্তঘেঁষা গ্রামবাসী ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে। এ ছাড়া সীমান্তে বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে নির্দেশনা দিয়েছে বান্দরবান জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক বলেন, সীমান্তঘেঁষা গ্রামের লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে নিতে আমাদের আশ্রয়কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তবে বেশিরভাগ আতঙ্কিত মানুষ তাদের নিজ নিজ আত্মীয়ের বাসায় চলে গেছে।

স্কুল বন্ধ : সীমান্ত এলাকায় চলমান অস্থিরতার কারণে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার পাঁচটি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। গতকাল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আক্তারুন্নাহার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রণালয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঘুমধুম ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী পাঁচটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকবে।

সীমান্তে অপেক্ষায় ৪০০ চাকমাসহ হাজারো রোহিঙ্গা : চলমান সংঘাতের মধ্যে প্রাণভয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় আছে মিয়ানমারের চাকমা সম্প্রদায়ের ৪০০ জনসহ হাজারো রোহিঙ্গা। গতকাল ভোর থেকে তারা সীমান্ত এলাকার বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে কক্সবাজার ও বান্দরবানে প্রবেশের চেষ্টা চালায়। তবে বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে কেউ প্রবেশ করতে পারেনি।

এ বিষয়ে ঘুমধুম ইউপির চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজ বলেন, বিভিন্ন মারফতে জানতে পেরেছি, বেতবুনিয়া সীমান্তের কাছে প্রায় ৪০০ জন চাকমা সীমান্ত অতিক্রম করে ঘুমধুমে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে। তবে সেখানে বিজিবি টহল জোরদার করেছে।

পালংখালী ইউপির চেয়ারম্যান বলেন, ঢেকুবুনিয়া সীমান্তসহ বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় কিছু রোহিঙ্গা প্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে ওইসব এলাকায় বিজিবি টহল জোরদার করেছে।

এদিকে টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের উলুবনিয়া সীমান্ত দিয়ে গতকাল দুপুরে তিন সন্তানসহ পাঁচ সদস্যের এক রোহিঙ্গা পরিবার বাংলাদেশে প্রবেশ করলে তাদের আটক করে বিজিবি। এ বিষয়ে হোয়াইক্যং ইউপির চেয়ারম্যান নুর আহমদ আনোয়ারী বলেন, সীমান্ত ঘেঁষে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে অনেক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষা করছে। তাদের মধ্যে এক পরিবার প্রবেশের চেষ্টা করলে তাদের আটক করে বিজিবি।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘মিয়ানমারে অভ্যন্তরে অনেক রোহিঙ্গা ও চাকমা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের অপেক্ষা করছে বলে আমরা খবর পেয়েছি। তবে আমরা এমনিতেই পুরনো রোহিঙ্গাদের নিয়ে সংকটে রয়েছি। তাই নতুন করে অনুপ্রবেশের সুযোগ নেই।’ তিনি আরও বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানাচ্ছি যারা সীমান্ত ঘেঁষে অবস্থান নিয়েছে সেখানেই তাদের খাদ্য, বাসস্থান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার।

সতর্ক অবস্থানে বিজিবি : রাখাইন রাজ্যে চলমান সংঘর্ষে বাংলাদেশের নাগরিক ও সীমান্ত সুরক্ষা দিতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থান নিয়েছে প্রশাসন। এ লক্ষ্যে সীমান্তে বিজিবি টহল বাড়ানোর পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরাপত্তা বেষ্টনী বাড়ানো হয়েছে।

এ বিষয়ে ৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল আবদুল্লাহ আল মাশরুকি বলেন, ‘সীমান্তে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থান নিশ্চিত করেছেন বিজিবি সদস্যরা। আমরা আন্তর্জাতিক নীতি অনুসরণ করেই সীমান্ত সুরক্ষায় অবস্থান নিয়েছি।’

বান্দরবানের জেলা প্রশাসক শাহ মোজাহিদ উদ্দিন বলেন, ‘এটা সত্যি মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষের কারণে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। সীমান্ত সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন আমাদের সীমান্তরক্ষীরা। সীমান্ত বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরানো হচ্ছে।’

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক শাহীন মুহাম্মদ ইমরান বলেন, ‘সীমান্ত সুরক্ষায় সব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পাশপাশি ঝুঁকিপূর্ণ স্থানের লোকজনকে সরিয়ে নিতে কাজ করছে উপজেলা প্রশাসন।’

তিন বিজিপির অবস্থা আশঙ্কাজনক : বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া বিজিপির গুলিবিদ্ধ তিন সদস্যের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের গতকাল সন্ধ্যা ৭টায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া আর ছয়জন কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তারা হলেন জা নি মং, নিম লাইন কিং, ক্যে থিন সিন, ইয়ো ফো, মং র ও মুলিউন থং।

সশস্ত্র বাহিনী ও বিজিবিকে ধৈর্য ধারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর : মিয়ানমারের পরিস্থিতি নিয়ে গতকাল সংসদে বিরোধী দলের চিফ হুইপ মুজিবুল হক চুন্নুর সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমার ইস্যুতে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবিকে) ধৈর্য ধারণ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

চুন্নু তার সম্পূরক প্রশ্নে বলেন, ‘আমাদের প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ বিচ্ছিন্নতাবাদী-সরকারি বাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহী বাহিনীর মধ্যে অনেকটা যুদ্ধের মতো চলছে। যে কারণে সেখান থেকে সাধারণ মানুষ অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে। গোলাগুলি হচ্ছে। সেই গোলা এসে বাংলাদেশে পড়ছে। পত্রিকার খবর অনুযায়ী, সেখানে (বাংলাদেশি সীমানায়) কিছু গোলাও পাওয়া গেছে। মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বোধহয় বন্ধ হয়ে গেছে। এ অবস্থায় জানতে চাই, আমাদের বর্ডার এবং স্থানীয় মানুষের নিরাপত্তার প্রশ্নে সরকারের পক্ষ থেকে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’

জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘এ ব্যাপারে সরকার ওয়াকিবহাল আছে। আজকে (গতকাল) যে ঘটনা ঘটেছে, মিয়ানমারের ৭৮ জন বর্ডার গার্ড পুলিশ বাংলাদেশে চলে এসেছে। তাদের মধ্যে কিছু কিছু আহতও আছেন। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে একটা আলোচনার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আমরা সেই আলোচনা করার জন্য এবং তাদের ফেরত পাঠানো বা ফেরত যদি পাঠানো না যায়, তাহলে অন্যান্য ব্যবস্থা কী করা যায়, সেটাও করা হবে। পরিস্থিতি বাংলাদেশ খুব নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।’

বিজিপির সদস্যদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা চলছে : মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির সদস্যদের ফিরিয়ে নিতে দেশটির সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, কোন মাধ্যমে তাদের মিয়ানমারে ফিরিয়ে দেওয়া হবে সে বিষয়ে আলোচনা চলছে।