গণস্বাস্থ্য মেডিকেল কলেজে ২০২১ শিক্ষাবর্ষে কেবল ১১০ জন শিক্ষার্থীর ভর্তির সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে আপিল বিভাগ আজ মঙ্গলবার এ রায় দেন। তবে অতিরিক্ত শিক্ষার্থী ভর্তির কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন সর্বোচ্চ আদালত।
জরিমানার এই টাকা খুলনা গণস্বাস্থ্য হাসপাতাল ও কিউনি ফাউন্ডেশনকে দিতে বলা হয়েছে। গণস্বাস্থ্য মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষকে এই টাকা পরিশোধ করতে বলা হয়েছে। আদালতে শিক্ষার্থীদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, অ্যাডভোকেট নাহিদ সুলতানা যুথি, অ্যাডভোকেট শাকিলা রওশন।
আইনজীবী আহসানুল করিম গণমাধ্যমকে বলেন, ১১০ জন শিক্ষার্থীর ভর্তি বহাল রাখা হয়েছে। ফলে গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিক্যাল কলেজে এই শিক্ষার্থীরা তাদের পড়ালেখা চালিয়ে যাবেন। তবে এই রায়টি এই ১১০ জন শিক্ষার্থী এবং ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
২০২২ সালের ২৮ জুন গণস্বাস্থ্য মেডিকেল কলেজ প্রতি শিক্ষাবর্ষে ১১০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারবে বলে রায় দেন হাইকোর্ট। ৬০ জন শিক্ষার্থীর ভর্তির অনুমতি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে বিচারপতি কাশেফা হোসেন ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ এ রায় দেন।
২০১০ সাল থেকে গণস্বাস্থ্য মেডিকেল কলেজে ১১০ জন করে শিক্ষার্থী ভর্তির অনুমতি ছিল। ২০২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত হওয়ার পর ৫০ জন শিক্ষার্থীর বেশি গণস্বাস্থ্য মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা যাবে না বলে জানিয়ে দেয় বিশ্ববিদ্যালয়। এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করলে তখন ১০ জন বাড়িয়ে ৬০ জন ভর্তির অনুমতি দেওয়া হয়। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে হাইকোর্টে রিট করা হয়। ২০২২ সালের ২৮ জুন বিচারপতি কাশেফা হোসেন ও বিচারপতি জিনাত হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে ১১০ শিক্ষার্থীর ভর্তি বহাল রাখার রায় দেন।