সুবর্ণচরে মা-মেয়েকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, এজাহারভুক্ত শেষ আসামিও পুলিশের জালে

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে ঘরের সিঁধ কেটে ঢুকে মা-মেয়েকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনার মামলার এজহারভূক্ত আসামি মো. হারুনকে (৪২) গ্রেপ্তার করেছে চরজব্বর থানা পুলিশ।

আজ বৃহস্পতিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকার গাবতলী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান।

গ্রেপ্তারকৃত মো. হারুন সুবর্ণচর উপজেলার চরওয়াপদা ইউনিয়নের চর কাজী মোখলেছ গ্রামের মৃত বশির আহম্মদের ছেলে।

পুলিশ জানায়, সোমবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ২টার দিকে চরওয়াপদা ইউনিয়নে চর কাজী মোখলেছ গ্রামের একটি বাড়িতে দলবদ্ধভাবে গৃহবধূ ও তার মেয়েকে ধর্ষণ করে। এ সময় ঘর থেকে দুটি নাকফুল, কানের দুল এবং নগদ ১৭ হাজার ২২৫ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। ভুক্তভোগীর দিনমজুর স্বামী কাজের জন্য ওই রাতে বাইরে থাকায় তিনি তার তিন সন্তানদের নিয়ে বাড়িতে একা ছিলেন। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে এই ধর্ষণের পরিকল্পনা সাজায় আসামিরা। 

চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, চরজব্বর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে হারুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সে পালিয়ে ঢাকায় চলে গিয়েছিল। তারপর থেকে তাকে গোয়েন্দা নজরদারিতে রাখা হয়েছিল। তাকে ঢাকা থেকে আনা হচ্ছে। তারপর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।

জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান দেশ রূপান্তরকে বলেন, এর আগে আমরা দুজনকে গ্রেপ্তার করেছি। হারুন বাকি ছিল। তাকেও চরজব্বার পুলিশ অভিযান চালিয়ে সকালে ঢাকার গাবতলী থেকে গ্রেপ্তার করেছে।