টেকটর-বার্লে খুলনার বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়ানো জয় সিলেটের

বিপিএলে নিজেদের প্রথম চার ম্যাচ জিতেছিল খুলনা টাইগার্স। তবে এরপর, পথ হারানো দলটির হার অব্যাহত রইল। আজ খুলনাকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে সিলেট স্ট্রাইকার্স। এটি খুলনার টানা তৃতীয় হার। আর সিলেটের টানা দ্বিতীয়, আসরের চতুর্থ জয়। তাতে প্লে-অফ খেলার সম্ভাবনা কাগজে কলমে টিকে রইল সিলেটের। অবশ্য তাদের নিশ্চিত করতে হবে বাকি থাকা তিন ম্যাচেও জয়।

সিলেটের জয়ের জন্য শেষ ২ ওভারে প্রয়োজন ছিল ১৯ রান। ১৯তম ওভারে বল করতে আসেন রুবেল হোসেন। তিন ছক্কা আর এক চারে এক ওভারেই সেই সমীকরণ মিলিয়েছেন রায়ান বার্ল। বার্ল ৩ ছক্কা, ১ চারে ১৬ বলে ৩২ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেন।

১৫৪ রানের লক্ষ্যে খেলতে নামা সিলেটের শুরুটা ভালো হয়নি। ১৩ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে সামিত প্যাটেল আউট হলে। প্যাটেলই করেন ১৩ রান। অপর প্রান্তে থাকা হ্যারি টেককটর তখন আট বল খেলে শূন্য। টেকটর তার রানের খাতা খোলেন মার্ক দেয়ালকে ছক্কা হাকিয়ে। দ্বিতীয় উইকেটে ৫২ রানের জুটি গড়ে শুরুর ধাক্কা সামাল দেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও টেকটর। ইনিংসের নবম ওভারে তিন বলের ব্যবধানে শান্ত ও জাকির হাসানকে ফেরান মার্ক।

৯ ওভার শেষে সিলেটের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ৬৬। জিততে তখনও ওভারপ্রতি আট রান করে দরকার ছিল তাদের। জোড়া উইকেটের ধাক্কা সামলে ধীরে ধীরে হাত খুলে খেলা শুরু করেন টেকটর। তাকে সঙ্গ দিয়ে ৪২ রানের জুটিতে সহায়তা করেন অধিনায়ক মোহম্মদ মিঠুন। ৩ চারে ২৪ রান করে ফেরেন তিনি।

শেষ তিন ওভারে সিলেটের দরকার ২৭ রান। খুলনা তাদের ইনিংসে শেষ তিন ওভারে নিয়েছিল ৫১ রান। তাই সিলেটের জয় হাতের কাছে মনে হয়। কিন্তু ইনিংসের ১৮তম ওভারে মাত্র আট রান দিয়ে টেকটরের উইকেট তুলে নেন সুমন খান। টেকটর ফেরেন ৫২ বলে ৬১ রানের ইনিংস খেলে। ৬ চার ও ৩টি ছক্কা হাঁকান তিনি। শেষ দুই ওভারে মিঠুনের দলের দরকার ১৯ রান। সেই সমীকরণ এক ওভার বাকি থাকতেই মিলিয়ে দেন রায়ার্ন বার্ল।

তার আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন খুলনার অধিনায়ক এনামুল হক বিজয়। একাদশে ছয় পরিবর্তন নিয়ে নামা খুলনা ৪ উইকেটে ১৫৩ রান তোলে। অধিনায়ক বিজয় খেলেন ৬৭ রানের ইনিংস। হাবিবুর রহমান সোহান ৩০ বলে অপরাজিত ৪৩ রানের ইনিংস খেলেন।