এমন অনেক কম্পিউটার প্রোগ্রাম আছে, যা ফ্রিতে ব্যবহার করা যায়। আর এসব দরকারি কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন প্রোডাক্টিভিটি যেমন বাড়বে, তেমনি জটিল প্রক্রিয়া সহজ করবে। পুনরাবৃত্তিমূলক কাজগুলোকে অটোমেটেড করে সময় বাঁচাবে।
বাল্ক রিনেম ইউটিলিটি (Bulk rename Utility) : একটি উইন্ডোজ সফটওয়্যার, যা দ্বারা ব্যবহারকারী দ্রুত এবং দক্ষতার সঙ্গে একাধিক ফাইল এবং ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন করতে পারে।
উইজট্রি (WizTree) : প্রোগ্রামের মাধ্যমে ভিজুয়ালি দেখা যায়, কম্পিউটারের কোন ফাইল এবং ফোল্ডারগুলো হার্ডড্রাইভে সবচেয়ে বেশি জায়গা নিচ্ছে। উইজট্রি সহজেই বড় ফাইল এবং সরাসরি শনাক্ত করে দেয়। অর্থাৎ সি ড্রাইভে অপ্রয়োজনীয় বড় কোন ফাইল থাকলে তা খুঁজে বের করে দেবে উইজট্রি। উইজট্রি স্ক্যানিং ড্রাইভের গতির জন্য বেশি পরিচিত। দ্রুততার সঙ্গে ডিস্কের সব ফাইল খুঁজে দেয় এবং কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে ফলাফল পাওয়া যায়।
কুইকভিউ (Quickview): ব্যবহারকারীদের কোন ফাইল না খুলেই একটি ক্লিকে প্রিভিউ দেয়। মাইক্রোসফট অফিস ডকুমেন্টস, ছবি, ভিডিও এবং ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটরসহ বিভিন্ন প্রকারের বিস্তৃত ফাইল সাপোর্ট করে। অর্থাৎ কুইকভিউ ব্যবহার করলে ফটোশপ বা এডোবি প্রিমিয়ার ওপেন না করেও ফাইলে কি আছে তার প্রিভিউ দেখতে পাবেন।
ফ্লো লঞ্চার (Flowlauncher) : উইন্ডোজের প্রোডাক্টিভ টুলস। ব্যবহারকারীরা ডেস্কটপে একটি সার্চবার পাবেন, যা উইন্ডোজ সার্চবার থেকে কয়েকগুণ বেশি কার্যকর। এই সার্চবারের মাধ্যমে আপনি কম্পিউটারের যে কোনো ফাইল খুঁজে নিতে পারবেন। তা ছাড়া মিউজিক, ভিডিও, ছবিসহ গুগল সার্চ, ওয়েবসাইট এমনকি আপনার স্পটিফাই সার্চবার হিসেবেও কাজ করবে ফ্লো লঞ্চার।
ক্লিপবোর্ড ম্যানেজার (Clipboard manager) : অপারেটিং সিস্টেমের স্ট্যান্ডার্ড ক্লিপবোর্ডের কার্যকারিতা প্রসারিত করে। উইন্ডোজের স্ট্যান্ডার্ড ক্লিপবোর্ড সাধারণত সাম্প্রতিক কপি বা কাট করা আইটেম সংরক্ষণ করে। কিন্তু ক্লিপবোর্ড ম্যানেজার অনেক আগের কপি করা আইটেমগুলোর একটি হিস্টোরি লিস্ট ধরে রাখে, যা পঃৎষ উ বাটন চাপলে দেখতে পারবেন। অর্থাৎ কোনো কিছু পেস্ট করার সময় হট-কি ব্যবহার করে হিস্টোরি লিস্ট থেকে যে কোনো কিছু পেস্ট করতে পারবেন। হট-কি কাস্টমাইজ ও করে নেওয়া যাবে।
শেয়ার এক্স (ShareX) : এটি একটি ফ্রি এবং ওপেন সোর্স স্ক্রিন ক্যাপচার এবং ফাইল শেয়ারিং টুলস। এই টুলের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা যে কোনো আকারের স্ক্রিনশট, ভিডিও এবং অডিও রেকর্ডিং ক্যাপচার, স্ক্রলিং ক্যাপচার, ফটো টু টেক্সট, ফটো এডিটিং, হ্যান্ডি টুলসসহ আরও অনেক কিছুর সাপোর্ট পান। শেয়ার এক্স আপনার নেওয়া স্ক্রিনসট বা ভিডিও সঙ্গে সঙ্গে ফোল্ডারে কপি করে নেয়। যারা মাল্টিমিডিয়ায় কাজ করেন তাদের জন্য এই টুলস নিঃসন্দেহে অনেক কাজে আসবে।