ফাগুনে হৃদয় আগুনে জ্বলে পুড়ল খুলনা

প্লে-অফ খেলার সমীকরণের হিসাবে আসরের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে এভিন লুইস, মাহমুদুল হাসান জয়ের পর শেষদিকে ওয়েন পারনেলের সুবাদে স্কোরবোর্ডে ৮ উইকেটে ১৬৪ রান তোলে খুলনা। কিন্তু তা যথেষ্ট হয়নি। তাওহীদ হৃদয়ের তাণ্ডবে ২১ বল ও ৭ উইকেট হাতে রেখে জয় পায় কুমিল্লা।

আগে ব্যাট করতে নেমে গত ম্যাচের লাইনআপে রদবদল আনে খুলনা। অ্যালেক্স হেলসের সঙ্গে ইনিংস উদ্বোধন করতে আসে আফিফ হোসেন। ৩২ রানে তাদের জুটি ভাঙে হেলসের বিদায়ে ১৭ বলে ২২ রান করেন হেলস। তিনে নেমে বিজয় পরপর দুটো ছক্কা হাঁকিয়ে শুরু করে। আফিফ হোসেনের সঙ্গে মাঝারি জুটি গড়লেও স্ট্রাইকরেট সুবিধার ছিল না খুলনার। ১৩ বলে ১৮ রানে বিদায় নেন বিজয়। পরের ওভারে আফিফও ফিরে যান ৩৩ বলে ২৯ রান করে।

এরপর এভিন লুইস ও জয় ৫৭ রানের ঝড়ো জুটি গড়ে খুলনার ইনিংসে কিছুটা দিশা দেখান। ১৯ বলে ২৮ রান করা জয় আউট হলে সমাপ্তি ঘটে জুটির। ১৮তম ওভারে মইন আলি দুই বলের ব্যবধানে লুইস ও লিউক উডকে ফেরালে রানের গতি থেমে যায় খুলনার। লুইস ফেরার আগে করেন ২০ বলে ৩৬। পারনেলের ব্যাট থেকে আসে ১১ বলে ২০ রান। কুমিল্লার হয়ে মইন আলি ও ম্যাথিউ ফোর্ড ২টি করে উইকেট শিকার করেন। ১টি করে উইকেট পান আলিস ইসলাম ও মোস্তাফিজুর রহমান।

চট্টগ্রামে রান তাড়ায় ১৬৫ সহজ লক্ষ্য। সেটি আরও সহজ হয়ে যায় শুরু থেকেই কুমিল্লা ব্যাটারদের হাত খুলে খেলার মানসিকতায়। লিটন মাত্র ২ রানে ফিরলেও তাওহীদ হৃদয় চালু রাখেন রানের গতি। আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান উইল জ্যাকস ১০ বলে ১৮ রানে আউট হন। ৮ বলে ১৩ করে ফিরে যান আসরের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামা জনসন চার্লস। তবুও ৮ ওভার শেষেই বোর্ডে ৮৬ রান তুলে ফেলে কুমিল্লা। শেষ টানেন হৃদয়-অনিকে ৫৩ বলে ৮৪ রানের জুটি।

২৯ বলে বিপিএল অধ্যায়ে ষষ্ঠ ফিফটি তুলে নেন হৃদয়। অপরাজিত থাকেন ৪৭ বলে ৯১ রান করে। গত আসরে হৃদয় করেছিলেন ৪০৩ রান। ৪৮ গড়ে এরই মধ্যে চলতি আসরে করে ফেলেছেন ৩৩৬ রান। আসরের সর্বোচ্চ ১৯ ছক্কা মারার সঙ্গে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকও তিনি। জাকের আলী অনিক অপরাজিত থাকেন ৩১ বলে ৪০ রানে।