সংঘাতের জেরে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী, সেনাবাহিনী, শুল্ক কর্মকর্তাসহ ৩৩০ জনকে আজ মিয়ানমারের কাছে হস্তান্তর করছে বাংলাদেশ। সকাল সাড়ে ৫টার দিকে তাদের ঘুমধুম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে নিয়ে যায় বিজিবি। সকাল ৮টা থেকে তাদের কক্সবাজারের ইনানিতে নৌবাহিনীর জেটিঘাটে তাদের হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু হয়।
২ ফেব্রুয়ারি রাত থেকে নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের ওপারে বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সঙ্গে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির সংঘর্ষ চলছে। সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর থেকে ১২ দিন ধরে কখনো প্রচণ্ড গোলাগুলি, আবার কখনো থেমে থেমে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে।
রাখাইনে সংঘর্ষ, গোলাগুলি শুরু হলে উখিয়া সীমান্তের রহমতের বিল, টেকনাফের হোয়াইক্যং ও বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্ত দিয়ে ৩৩০ জন আত্মসমর্পণ করে অস্ত্র জমা দিয়ে এ দেশে ঢুকে পড়েন। তারা এতদন বিজিবি হেফাজতে ছিলেন।
এদিকে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি, কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্ত এলাকায় গতকাল বুধবার গোলাগুলির শব্দ কম শোনা গেছে। এ ছাড়া নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তে গতকাল আরও তিনটি মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। তবে এগুলো উদ্ধার করা যায়নি।