ধারের খেলোয়াড়ে এগিয়ে ইন্তার

অস্ট্রিয়ার ফরোয়ার্ড মার্কো আর্নাতোভিচ ধারে খেলতে এসেছেন ইন্তার মিলানে। ধারের খেলোয়াড় বলেই হয়তো নিয়মিত একাদশেও সুযোগ মেলে না তার। অধিকাংশ সময়েই থাকতে হয়েছে বেঞ্চে বসে। বুধবার দিবাগত রাতে চ্যাম্পিয়নস লিগেও তার ব্যতিক্রম কিছু ঘটেনি। আতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে শেষ ষোলোর প্রথম লেগে সান সিরোতে শুরুর একাদশে জায়গা হয়নি তার। তাতে কি! দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে করলেন গোল, তার করা এই এক গোলে জিতেই এগিয়ে রইল ইন্টার।

সান সিরোর এই ম্যাচটি ছিল দুই পুরনো বন্ধুর মস্তিষ্কের লড়াই। ইন্তারের বর্তমান কোচ সিমোন ইনজাঘি। যিনি একটা সময় ছিলেন আতলেতিকো কোচ ডিয়েগো সিমিওনের সতীর্থ। দুজন ১৯৯৯ থেকে ২০০৩ পর্যন্ত একসঙ্গে খেলেছেন লাৎসিওতে। বন্ধু সিমোনের সঙ্গে টক্করে প্রথম লেগে পিছিয়ে থাকতে হলো সিমিওনেকে।

এদিন সান সিরোতে প্রথমার্ধে কোনো দলই সেভাবে সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। দুই দলই বল পায়ে রেখে খেলার চেষ্টা করেছে। প্রথমার্ধের শেষ দিকে লাউতারো মার্তিনেস সুযোগ পেয়েছিলেন কিন্তু গোলরক্ষককে একা পেয়েও শট নিতে দেরি করায় প্রতিপক্ষের এক ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে বাইরে যায় বল।

একটু পরেই চোট পান ইন্তারের ফরোয়ার্ড মার্কাস থুরাম। তার বদলি হিসেবে মাঠে নামেন আর্নাতোভিচ। মাঠে নেমেই সুযোগ পান ৩৪ বছর বয়সী এই অস্ট্রেলিয়ান। কিন্তু অল্প সময়ের ব্যবধানে কয়েকটি সুযোগ নষ্ট করেন তিনি। তাতে বারবার হতাশ হলেও অবশেষে ৭৯ মিনিটে পেয়ে যান সেই কাক্সিক্ষত গোল। এই গোলকেই ক্যারিয়ারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলছেন আর্নাতোভিচ, ‘সম্প্রতি আমি অনেক সুযোগ নষ্ট করেছি কিন্তু সমর্থক ও সতীর্থরা আমার সঙ্গে ছিল। এটা আমাকে শক্তি জুগিয়েছে এবং আমাকে গোল করতেই হতো। নিশ্চিতভাবেই এই গোল আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’

শেষ ষোলোর আরেক ম্যাচে পিএসভি আইন্দহোভেনের মাঠে ১-১ গোলে ড্র করেছে বরুশিয়া ডর্টমুন্ড।