প্রশ্নফাঁসের সুযোগ নেই, প্রতারক চক্র গুজব ছড়াচ্ছে: ঢাবি উপাচার্য 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেন, অনলাইন মাধ্যমে একদল প্রতারক চক্র ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের প্রতারিত করার চেষ্টা করছে। বাস্তবিকপক্ষে কোনো প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটেনি। এই সুযোগও নেই। এই চক্রের মূল কাজ হলো আমাদের ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ও অভিভাবক যারা এ সম্পর্কে জানেন না তাদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া। এজন্যই তারা প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়াচ্ছে।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্ডারগ্রাজুয়েট প্রোগ্রামে কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ঢাবির সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবন কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। 

তিনি বলেন, প্রতারক চক্রটি সাধারণ মানুষকে বোকা বানিয়ে টাকা হাতানোর চেষ্টা করছে। আপনাদের অনেক সাংবাদিকও তাদের সাথে কথা বলেছেন। সেই চক্রটি প্রশ্নের বিনিময়ে আপনাদের কাছ থেকেও অগ্রিম টাকা চাচ্ছে। এ পর্যন্ত এই চক্রের হাতে প্রতারিত হয়েছেন এমন কোনো অভিযোগ আমরা পাইনি। আমরা ইতিমধ্যেই সংবাদ মাধ্যমগুলোতে সবাইকে এই প্রতারক চক্রের থেকে সতর্ক থাকার কথা জানিয়েছি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথেও আমাদের কথা হয়েছে। আমরা আশা করি, খুব দ্রুতই চক্রটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হবে। আমরা সার্বক্ষণিক সতর্ক থাকছি যেনো প্রতারক চক্রটি এবারের ভর্তি পরীক্ষাকে কোনোভাবেই প্রভাবিত করতে না পারে।

উপাচার্য জানান, এই ভর্তি পরীক্ষায় ঢাকাসহ দেশের অন্য ৭টি বিভাগীয় শহরের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ২ হাজার ৯৩৪ টি আসনের বিপরীতে ১,১২,২৭৮ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। যথাযথভাবে নিয়মনীতি অনুসরণ করে স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খলভাবে এই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। যে কোনো প্রতারক চক্রের ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সচেতনতা অবলম্বন করার জন্য অভিভাবক, পরীক্ষার্থী এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি উপাচার্য আহ্বান জানান।