দুবাইয়ে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ইউএস সয়াবিন এক্সপোর্ট কাউন্সিল-এর (ইউএসএসইসি) বার্ষিক সাস্টেইনাসামিট ২০২৪ সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন বিশ্বব্যাপি কৃষি ব্যবসা ও ব্যবস্থাপনার শীর্ষস্থানীয় নেতারা।
টেকসই কৃষি অনুশীলন, খাদ্য চাষে যুগান্তকারী অগ্রগতি, উৎপাদন, বিতরণ ও দক্ষভাবে সংরক্ষণের উদ্যোগ ছিল সম্মেলনের মূল বিষয়বস্তু।
বিশ্বব্যাংকের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার বর্তমান জলবায়ু অপ্রত্যাশিতভাবে তাপপ্রবাহ, ঘূর্ণিঝড়, খরা, বন্যা ইত্যাদির জন্য দায়ী। তাই সম্মেলনে, ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা ও জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা মোকাবেলায় দক্ষিণ এশিয়াকে তৎপর হওয়ার প্রতি জোর দেয়া হয়।
ইউএসএসইসি-এর দক্ষিণ এশিয়া অ্যান্ড সাব-সাহারান আফ্রিকা (এসএএএসএসএ)-এর রিজিওনাল ডিরেক্টির কেভিন বলেন, “একটি শক্তিশালী ও টেকসই বৈশ্বিক খাদ্য ব্যবস্থায় ইউএস সয়-এর মতো টেকসই উপাদান ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এ ছাড়া খাদ্য ও কৃষি ব্যবসার মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্বকে প্রতিফলিত করতে ইউএসএসইসি-এর সাসটেইনাসামিট বিশেষ ভূমিকা পালন করবে।”
ইউএসএসইসি-তে ইউএস সয় মার্কেটিং অ্যান্ড সাসটেইনাবিলিটির রিজিওনাল হেড দীবা জিয়ানোলিস সাস্টেইনাসামিট খাদ্য ও কৃষি খাতে টেকসই মান নিশ্চিত ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সঠিক পণ্য উৎপাদন ও সংগ্রহ করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করেন।
আইএসএএএ-বায়োট্রাস্টের গ্লোবাল কো-অর্ডিনেটর এবং মালয়েশিয়ান বায়োটেকনোলজি ইনফরমেশন সেন্টার (এমএবিআইসি) এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ড. মাহালেচুমি আরুজানান বলেন, বিজ্ঞান খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি অর্থনীতি আরও শক্তিশালী করতেও ভূমিকা রাখে। এর মূলে রয়েছে বায়োটেকনোলজি, যা পরিবেশগত ও আর্থ-সামাজিক সুস্থতা নিশ্চিতে সাহায্য করে।