বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যদের স্বজনপ্রীতি-নিয়োগ বাণিজ্য নিয়ে ক্ষোভ হানিফের

‘পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বোচ্চ যে পদ উপাচার্য, সেই উপাচার্যের বিষয়ে কিন্তু বিভিন্ন সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য চলে আসছে। কেউ স্বজনপ্রীতির সঙ্গে জড়িত, কেউ নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত, এমনকি অনেক উপাচার্যের অডিও রেকর্ডও চলে আসছে গণমাধ্যমে। এটা যদি সর্বোচ্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ পদধারী ব্যক্তিদের কাছ থেকে হয়, তাহলে সেই জাতির ভবিষ্যৎ নিয়ে, তার নীতিনৈতিকতা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করা ছাড়া কিছুই থাকে না।

রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ।

তিনি বলেন, গ্রিক দার্শনিক প্লেটো এক উক্তিতে বলেছিলেন, একটি দেশের মানুষ যেমন হবে রাষ্ট্র তেমনি হবে। মানুষের চরিত্র দ্বারাই রাষ্ট্র গঠিত হয়। আজ আমাদের শিক্ষিত ও সর্বোচ্চ ব্যক্তিদের যদি এই নীতি নৈতিকতার অবস্থা হয়, তাদের যদি এই মূল্যবোধ হয় তাহলে সেই ক্ষেত্রে এ রাষ্ট্রের চরিত্র আস্তে আস্তে অবক্ষয়ের দিকে যাবে, এটাই স্বাভাবিক।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, আমি সেই কারণে মনে করি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ দেশের ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন, অগ্রগতি করেছেন। উন্নয়ন অগ্রগতি ধরে রাখার জন্য এখন দরকার আমাদের এ সমাজের যে নীতি নৈতিকতা, সততা যে অবক্ষয়ের মধ্যে যাচ্ছে সেটাকে কীভাবে আবার আমরা ফিরিয়ে আনতে পারি, মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করতে পারি, সেই লক্ষ্যে আমাদের কাজ করা প্রয়োজন। আশা করি এ ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেবেন। এ দেশের জনগণের ভরসা, আস্থার জায়গা আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আমাদেরও সেটাই ভরসার জায়গা। আমরাও আশা করি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ ব্যাপারে সঠিক পদক্ষেপ নেবেন।