পাকিস্তানের বিভিন্ন রাজ্যে প্রতিকূল আবহাওয়া দেখা দিয়েছে। কিছু প্রদেশে ভারি বৃষ্টিপাতে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। আবার কোয়েটা প্রদেশে তাপমাত্রা শূন্যের নীচে নেমে এসেছে।
কোন কোন রাজ্যে বৃষ্টি-বন্যা আবার কোন রাজ্যে শৈত্যপ্রবাহের কারণে ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে পাকিস্তানের গণমাধ্যম দ্যা ডন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের বিভিন্ন অংশে প্রবল বৃষ্টি ও তুষারপাতের ফলে রবিবার ১৮ জন শিশুসহ মৃতের সংখ্যা ২৭ জনে পৌঁছেছে।
এছাড়াও, গত দুই দিনে বৃষ্টি ও তুষারপাত সংক্রান্ত বিভিন্ন ঘটনায় ২০ জন শিশুসহ অন্তত ৩৮ জন আহত হয়েছে। খাইবার পাখতুনখোয়ায় বেশিরভাগ এলাকায় বন্যায় ৩৩টি বাড়ি ধ্বংস হয়েছে।
প্রতকুল আবহাওয়ার কারণে গিলগিট-বালতিস্তানে প্রধান সড়ক বন্ধ রয়েছে, যার ফলে হাজার হাজার মানুষ এই অঞ্চলে আটকা পড়েছে। অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ এবং যোগাযোগ পরিষেবাও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
অন্যদিকে, কোয়েটা এবং বেলুচিস্তানের অন্যান্য এলাকাতে তাপমাত্রা শূন্যতে নেমে এসেছে। যার কারণে বাড়ির বাইরে কম বের হচ্ছে মানুষজন। সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে উত্তর ওয়াজিরিস্তানে।
গিলগিট-বালতিস্তানের ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটির তথ্য অনুসারে, ভূমিধসে পাহাড়ি এলাকায় রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে গেছে। আকস্মিক বন্যায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে বেশ কিছু সড়ক।
এদিকে কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, আগামী ৫ থেকে ৭ মার্চ পর্যন্ত বেলুচিস্তানে ভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে পাকিস্তান আবহাওয়া বিভাগ। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে ইসলামাবাদ, গিলগিট ও স্কারদু শহরের সব অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।