রাস্তার পাশে পড়ে ছিল নিখোঁজ বিএনপি নেতার মরদেহ

নিখোঁজের একদিন পর ফেরদৌস আলম (৩৫) নামে এক বিএনপি নেতার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আজ সোমবার (১১ মার্চ) সকালে লালমনিহাট সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের নিজপাড়া এলাকার রাস্তার পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ফেরদৌস উপজেলার খুনিয়াগাছ ইউনিয়নের আনন্দ বাজার কালমাটি এলাকার মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে। এছাড়াও তিনি উপজেলার খুনিয়াগাছ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ছিলেন।

নিহতের বড় ভাই আব্দুর রশিদ জানান, রবিবার দুপুর ২টার দিকে সদর উপজেলার বড়বাড়ি ইউনিয়নে স্থানীয় বিএনপির সমাবেশে যোগ দেওয়ার জন্য তিনি বাড়ি থেকে বের হন। আড়াইটার সময় শহরের মিশন মোড় একালায় মোটরসাইকেলটি রেখে তিনি নিখোঁজ হন। পরে রাত পর্যন্ত তাকে খুঁজে না পেয়ে লালমনিরহাট সদর থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন পরিবারের লোকজন।

এর একদিন পর সোমবার সকালে সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের নিজপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন এলাকার রাস্তার পাশে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। নিহতের ৮ বছর ও ১২ বছরের দুটি ছেলে রয়েছে।

লালমনিরহাট জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক আসাদুল ইসলাম প্রামানিক বলেন, পরিকল্পিতভাবে ফেরদৌসকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এ হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ জানাই। তিনি অবিলম্বে খুনিদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জন্য জোর দাবি করেন।

লালমনিরহাট সদর থানার ওসি ওমর ফারুক জানান, খরব পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এখনও এ বিষয়ে নিহতের পরিবার থেকে কোনো মামলা দেওয়া হয়নি বলেও জানান তিনি।

লালমনিরহাট পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, মরদেহ শনাক্তের পর থেকেই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচনে পুলিশ কাজ শুরু করেছে।