সম্প্রতি বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডের পর রাজধানীর বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় অভিযান চালিয়ে শ্রমিক-কর্মচারীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঢালাও ভাবে প্রায় ৮০০ রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকা সত্যেও রাজউক অনধিকার চর্চা করছে। সোমবার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা এসব কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে বেইলী রোডে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় রেস্তোরাঁ খাতে সংকট তৈরি হয়েছে। সংগঠিত অগ্নিকান্ডের ঘটনাটি তদন্তাধীন, তাই এখনো অগ্নিকান্ডের ঘটনার সুনির্দিষ্ট কোন কারণ জানা যায়নি। কিন্তু ঢালাওভাবে রেস্তোরাঁ সেক্টরটিকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে। সিলিন্ডারের কারণে শ্রমিক কর্মচারীদের গ্রেপ্তার কারা হয়েছে এবং ঢালাও ভাবে রেস্তোরা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অনেক কাগজ থাকা সত্যেও রাজউক তার অনধিকার চর্চা করছে। স্বাধীন দেশে এটা কোনোভাবেই কাম্য নয়। সরকারি বিধি অনুযায়ী কোন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে বন্ধ করতে হলে কমপক্ষে ৬ মাস আগে নোটিশ প্রদান করতে হবে। সময় বেঁধে দিতে হয় কিন্তু বিনা নোটিশে এভাবে ভাংচুর করে, বন্ধ করে দিচ্ছে রেস্তোরাঁগুলো। এই জন্য রেস্তোরাঁ সেক্টরটি বর্তমানে ভয়াবহ হুমকির সম্মুখীন। রাজউকের এফ ১ ও এফ ২ এর নামে যে নৈরাজ্য চলছে তা কোন ভাবেই কাম্য নয়, কারণ আমরা জানি কমার্শিয়াল স্পেসে রেস্তোরাঁ ব্যবসা করা যাবে। রাজউকের ২০২২- ২০৩৫ সাল পর্যন্ত ড্যাপের মাস্টার প্লানেও ব্যবসায়ীদেরকে ভবন মিশ্র ব্যবহারে উৎসাহিত করা হয়েছে।
এসময় সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন বলেন, সারাদেশে প্রায় ৮০০ রেস্তোরাঁ অভিযানের নামে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। কর্মচারীদের হয়রানি করে প্রায় ১২০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এখনও ১৯ জন গ্রেপ্তার আছেন। এসব রেস্তোরাঁয় অনেক কর্মকর্তা কর্মচারী চাকরি করেন। তাদের বোনাস, বেতন ভাতা এগুলোতো রেস্তোরাঁগুলোকে দিতে হবে।