শেষ বলে ৪ রানের জন্য খেলে বলটি যখন ব্যাটে লাগাতে পারলেন না আসিফ. ধারাভাষ্যকার বলে উঠলেন মোহামেডানকে ঠকিয়ে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স জিতে নিল ম্যাচটি। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে ৩ রানের হারা মোহামেডানের জন্য ব্যাপারটা সত্যও বটে।
ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে রান হয় এমনিতেই কম। সেখানে আগে ব্যাট করে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স সংগ্রহ করে ৯ উইকেটে ১৯১ রান। ওপেনার আনিসুল ইসলাম করেন ৯১ বলে ৭১ রান। মোহামেডানের নাইম হাসান ৩টি উইকেট নেন। ২টি করে উইকেট পান মুশফিক হাসান, আবু হায়দার রনি ও আসিফ হাসান।
ছোট লক্ষ্যে নেমে মোহামেডানের ব্যাটসম্যানদের ওপর চড়াও হন বাঁহাতি পেসার রুয়েল মিয়া। তার ৫ উইকেট শিকার লক্ষ্যে পৌঁছাতে দেয়নি মোহামেডানকে। ১০ ওভারে ১ মেডেনসহ ৩২ রান দিয়ে এ কীর্তি গড়েন রুয়েল। তবে মোহামেডানের হয়ে একা প্রতিরোধ গড়ে যাচ্ছিলেন মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। শেষ ২ ওভারে ২০ রানের সমীকরণকে নিয়ে এসেছিলেন ৩ বলে ৫ রানে। একটা বল ডট হওয়ার পর পঞ্চম বলে রানআউটের শিকার হয়ে অঙ্কন যখন ফেরেন তখন তার নামের পাশে ৯৪ রান। ১২৩ বলে ৩ চার ও ২ ছয়ে এ ইনিংস খেলেও দলকে জেতাতে পারেননি।
অঙ্কন ছাড়া দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন আরিফুল। কোনো কার্যকর জুটি না হওয়ায় তৃতীয় ম্যাচে এসে আসরের প্রথম হার দেখল মোহামেডান। আর ৩ ম্যাচের ৩টিতেই জয় তুলে নিল গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স।
রুপগঞ্জ টাইগার্স বনাম লিজেন্ডস অফ রুপগঞ্জ
বিকেএসপির ৪ নম্বর মাঠে রুপগঞ্জ ডার্বিতে কষ্টার্জিত ১ উইকেটের জয় পেয়েছে লিজেন্ডস অফ রুপগঞ্জ। আগে ব্যাট করে অধিনায়ক ফরহাদ হোসেনের ৭৪ ও মাহফিজুল ইসলাম রবিনের ৫১ ও আরাফাত সানি জুনিয়রের অপরাজিত ২৩ রানের সুবাদে ৮ উইকেটে ২০৯ রান সংগ্রহ করে রুপগঞ্জ টাইগার্স। আবদুল হালিম শিকার করেন ৪ উইকেট।
জবাবে আমিনুল ইসলাম বিপ্লবের বীরত্বে ২ বল বাকি থাকতে ১ উইকেটের জয় পায় লিজেন্ডস। ১৩৩ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলা লিজেন্ডেসের হাল ধরেন বিপ্লব। ৯ নম্বরে নামা শহিদুলের সঙ্গে গড়েন ৫০ রানের জুটি। এর পর হালিমের সঙ্গে গড়ের ২১ রানে জুটি। এ দুই জুটিতেই ম্যাচ আসে লিজেন্ডেসের পক্ষে। বিপ্লবের আগে তুষারের ব্যাট থেকে আসে ৬২ রান। টাইগার্সের সোহাগ গাজী ও আরাফাত সানি জুনিয়র ২টি করে উইকেট পান।
পারটেক্স বনাম গাজী টায়ার্স
বিকেএসপির ৩ নম্বর মাঠে গাজী টায়ার্সকে ৫২ রানে হারিয়ে আসরের প্রথম জয়ের স্বাদ পেয়েছে পারটেক্স স্পোর্টিং ক্লাব। তানবির হায়দারের অপরাজিত ৪৯, আজমির আহমেদের ৪৪ ও আহরার আমিনের ৪১ রানে ৯ উইকেটে ১৯৭ রান সংগ্রহ করে পারটেক্স। মারুফ মৃধা ৩টি এবং তৌফিক আহমেদ ও আরিদুল ইসলাম আকাশ ২টি করে উইকেট পান।
জবাবে রাকিবুল আতিক ও মুক্তার আলির ৩ উইকেট শিকারের দিনে ১৪৫ রানে অলআউট হয়ে যায় গাজী টায়ার্স। সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন আশরাফুল ইসলাম আসিফ। আতিক ১০ ওভারে ২ মেডেনসহ মাত্র ১৫ রান দিয়ে শিকার করেন ৩ উইকেট।