পবিত্র মাহে রমজানে পুরো মাস জুড়ে মুসলিমদের খাবার তেবিলে নানা ধরনের মুখরোচক খাবার শোভা পায়।
তবে সারাদিন না খেয়ে থাকার পর খালি পেটে ভাজা-পোড়া অ্যাসিডিটিসহ নানা ধরনের সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই এক্ষেত্রে এসব সমস্যা এড়াতে ইফতারে স্বাস্থ্যকর খাবার হতে পারে ফ্রুট সালাদ।
রোজায় ইফতারে ফ্রুট সালাদের উপকারী দিকগুলো নিচে দেওয়া হলো-
১. হজমশক্তি বৃদ্ধি
রোজায় অনেকে খাবার হজমজনিত সমস্যায় ভোগেন। এক্ষেত্রে ফ্রুট সালাদ প্রচুর ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার। আর ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, অন্ত্রে ভালো ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ বাড়ায়। খাবার হজমে সহায়ক বিভিন্ন এনজাইমও ফল থেকে পাওয়া যায়। তাই ইফতারে ভাজাপোড়ার চেয়ে ফ্রুট সালাদ খাওয়া উচিত।
২. ওজন কমায়
বাংলাদেশের মানুষ ইফতারে ভাঁজা-পোড়া খাবার বেশি খায় যা ওজন বাড়াতে সহায়ক। কিন্তু কেউ যদি ওজন কমাতে চান তাহলে সে ক্ষেত্রে ইফতারে ফ্রুট সালাদ খান চোখ বন্ধ করে। ক্যালরি কম ও ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ায় ওজন নিয়ন্ত্রণে এটি আপনাকে সাহায্য করবে।
৩. অ্যান্টি অক্সিডেন্টে ভরপুর
ফ্রুট সালাদ অ্যান্টি অক্সিডেন্টে ভরপুর থাকে। কারণ এতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন ও খনিজ লবণ। তাই ইফতারে এটি খেলে তা সারাদিনের ক্লান্তি দূর করে শরীরকে সতেজ ও হাইড্রেট রাখবে। এছাড়া ত্বকের ক্ষয়রোধ, ত্বকের কোষ পুনরুদ্ধার করতেও সাহায্য করবে।
৪. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি
শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ফলের জুড়ি মেলা ভার। ফলের সালাদে পাওয়া যায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং আরও নানা প্রকার ভিটামিন। যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। তাই রোজা রেখেও থাকা যাবে সুস্থ ও সতেজ।