হৃদয়ের সেঞ্চুরি সাকিবের জয় তামিমের হার

পাশাপাশি দুই মাঠে ডিপিএল খেলতে নেমেছিলেন সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল। দুজনই করেছেন ফিফটি। তবে গতকাল নিজেদের খেলায় সাকিব জয়ের দেখা পেলেও হেরেছেন তামিম। ফতুল্লায় তাওহীদ হৃদয়ের বিস্ফোরক সেঞ্চুরিতে বড় জয় পেয়েছে আবাহনী।

বিকেএসপির ৩ নম্বর মাঠে টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নামে শেখ জামাল। তিনে নামা সাকিবের ৫৩ ও শেষদিকে জিয়াউর রহমানের ৫৫ রানের সুবাদে ২৩৩ রান করে শেখ জামাল।

লক্ষ্য তাড়ায় গাজী গ্রুপ সাকিবের স্পিনবিষ সামলাতে হিমশিম খায়। ৯ ওভারে মাত্র ১৪ রান দিয়ে সাকিব নেন ২ উইকেট। পেসার মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী নেন ৩ উইকেট। তাতে ১৯২ রানে অলআউট হয়ে যায় গাজী গ্রুপ। এদিকে বিকেএসপির ৪ নম্বর মাঠে আগে ব্যাট করে পারভেজ হোসেন ইমনের সেঞ্চুরি ও তামিম ইকবালের ফিফটিতে ভর করে ২৭৮ রানে সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছিল। ইমন ১১০ ও তামিম ৬৫ রান করেন।  বৃষ্টির কারণে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪৭ ওভারে ২৭২ রানের। মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের ৭৮, আরিফুলের ৪৫, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ৪২ রানের পর শেষ বেলায় আবু হায়দার রনির ৫৪ রানের সুবাদে শেষ বলে ১ উইকেটের জয় তুলে নেয় মোহামেডান।

ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে ক্যারিয়ারসেরা ১২৫ রানের ইনিংস খেলেন হৃদয়। রূপগঞ্জ টাইগার্স ক্রিকেট ক্লাবের বোলারদের ওপর ঝড় বইয়ে স্রেফ ৮৪ বলে ১১ চার ও ৬ ছক্কায় সাজান নিজের ইনিংস। ৮৪ ম্যাচের লিস্ট ‘এ’ ক্যারিয়ারে হৃদয়ের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি এটি। এছাড়া চোট কাটিয়ে ফেরা জাকের আলী অনিক করেন ৭৮ রান। তাদের রানে ভর করে ৩২০ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় আবাহনী। হারায় মাত্র ৪ উইকেট। ৩২১ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৮০ রানেই গুটিয়ে যায় রূপগঞ্জ। আবাহনী পায় ১৪০ রানের বড় জয়। সর্বোচ্চ ৪৮ রান করেন মাহফিজুল রবিন। তিনটি করে উইকেট আদায় করেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও নাহিদুল ইসলাম। সাইফউদ্দিন পান দুটি উইকেট।